বিএসএফ দরজা ভেঙ্গে গালাগালি ধাক্কা দেয়

বিএসএফ দরজা ভেঙ্গে গালাগালি ধাক্কা দেয়

বিএসএফ দরজা ভেঙ্গে গালাগালি ধাক্কা দেয়, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর

(বিএসএফ) সদস্যরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি বাড়িতে ঢুকে নারীসহ ওই বাড়ির সদস্যদের

অপমান ও ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ফুলবাড়ী ইউনিয়নের কুটিচন্দ্রখানা

গ্রামের নাখরগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে এলাকার লোকজন জড়ো হলে বিএসএফ

সদস্যরা দ্রুত ভারতে প্রবেশ করে।এ ঘটনায় সীমান্তের গ্রামবাসীর মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

পরে বিজিবির বিক্ষোভের মুখে শুক্রবার সকালে দুই পক্ষের পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে বিএসএফ সদস্যরা জানান,

চোরাকারবারিদের তাড়াতে তারা রাতের আঁধারে ভুলবশত বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

বিএসএফ দরজা ভেঙ্গে গালাগালি ধাক্কা দেয়

গ্রামবাসীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীমান্তের আন্তর্জাতিক ৯৪১/৯ মেইন পিলারের কাছে দুই দেশের মাদক চোরাকারবারীরা সীমান্ত অতিক্রম করছিল। এ সময় ভারতীয় ১৯২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীনে সেউটি-২ ছাবরি ক্যাম্পে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। মাদক চোরাকারবারীরা তাদের ধাওয়া করে বাংলাদেশের নাখরগঞ্জ এলাকায় প্রবেশ করে।বিএসএফ সদস্যরা তাদের অনুসরণ করে গ্রামের নিরীহ রফিকুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করে। ঘরের দরজা খুলতে চিৎকার করতে থাকেন। দরজা না খুললে একপর্যায়ে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরের দরজা ও টিনের বেড়া ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে।প্রতিবাদ করলে বিএসএফ সদস্যরা উত্তেজিত হয়ে রফিকুল ইসলামের স্ত্রী মজিরন, ছেলে জিয়াউর রহমান ও পুত্রবধূ ইতিকে ধাক্কা দেয়।

তাদের চিৎকারে গ্রামবাসী এগিয়ে

এলে বিএসএফ সদস্যরা ভারতীয় ভূখণ্ডে ছুটে যায়।বিজিবির সঙ্গে পতাকা বৈঠকে বিএসএফ সদস্যরা জানান, তারা চোরাকারবারিদের তাড়াতে রাতের আঁধারে ভুলবশত বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।ঘটনাটি রাত ১১টার দিকে বিজিবিকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিএসএফের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি বিএসএফকে বলেছিলাম, মাদক চোরাকারবারিরা আমার বাড়িতে ঢোকেনি। তারপরও তারা আমার বাড়ির টিনের গেট ভেঙে চাপ প্রয়োগ করে। পরিবারের সদস্যকে ধাক্কা দিয়ে অশালীন মন্তব্য করে। পরে যখন মাদক পাচারকারীরা আমার বাড়িতে ঢোকেনি। এলাকার লোকজন জড়ো হয়, তারা দ্রুত ভারতে প্রবেশ করে।’সীমান্ত এলাকা লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে।

ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট

কর্নেল এস এম তৌহিদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, “ভুলবশত বিএসএফ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আমরা প্রতিবাদ করলে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সীমান্তে বিএসএফ পতাকা বৈঠক করে। বৈঠকে তারা ভুল স্বীকার করে।এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না।বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে কলেজে যাবেন মতিয়া বিশ্বাস মিঠি। তাই তিনি একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় ওঠেন। একই সিএনজিতে মায়ের কোলে ছিলেন দুই বছর বয়সী আবদুর রহমান। তার সঙ্গে আরও যাত্রী ছিলেন। হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ডাম্প ট্রাকের চাকা ফেটে যায়। ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজিতে উঠে যায়। আহত হয়েছেন অন্তত ৯ জন। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মিথি ও রহমান মারা যান।শনিবার দুপুর ২টার দিকে পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়কের সদর উপজেলার মালিগাছা মন্ডলের ঢাল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

তার স্ত্রীসহ দুই শতাধিক পিকআপ চুরি হয়েছে

তার স্ত্রীসহ দুই শতাধিক পিকআপ চুরি হয়েছে

তার স্ত্রীসহ দুই শতাধিক পিকআপ চুরি হয়েছে, তাকে পিকআপ ভ্যান চোর চক্রের সদস্য হিসাবে গ্রেপ্তার

করা হয়েছিল এবং সাত মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এই চুরির মাধ্যমে বাইরে গিয়ে আরও টাকার

মালিক হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তারপর নিজেই চোর চক্র গড়ে তোলেন। বাগেরহাটের আজিজুল

শেখ রাজু গত দুই বছরে দুই শতাধিক পিকআপ ভ্যান চুরি করেছে এই চক্রের মাধ্যমে। তাদের কার্যক্রম প্রধানত

রাজধানী এবং এর চারপাশে আবর্তিত হয়।শুক্রবার রাজধানীর ডেমরা থেকে আজিজুলসহ পাঁচজনকে

গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য জানায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার পাঁচজনের মধ্যে আজিজুলের

দ্বিতীয় স্ত্রী উম্মে হানিও রয়েছেন। সাত মাস আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আজিজুল। বিয়ের পর উম্মে হানিও

চোর চক্রে জড়িয়ে পড়ে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

তার স্ত্রীসহ দুই শতাধিক পিকআপ চুরি হয়েছে

গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন- হক ফজলু, ইউসুফ ও আবদুল্লাহ শিকারী।ডিবির ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, চুরির পর গাড়ির মালিককে ফোন করে টাকা আদায় করাই এই চক্রের কৌশল। এই চক্রের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে পিকআপ ভ্যান চুরি করে আসছে।ডিবি জানায়, কদমতলী থানার একটি মামলার তদন্তে এ চক্রের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। চুরির পর ওই চক্রের সদস্যরা বেনামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিম ব্যবহার করে গাড়ির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। গাড়ি ফেরত দেওয়ার শর্তে তিনি মালিকের কাছ থেকে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা নেন। ভিকটিম বিষয়টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানালে তারা গাড়িটি খুলে বিক্রি করে দিত।

অভিযানে পাঁচটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধার

করা হয়েছে।ডিবির ওয়ারী জোনের সহকারী কমিশনার মাহবুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আজিজুল পড়াশোনা করেননি। কিন্তু সে খুব চালাক। দুই শতাধিক পিকআপ ভ্যান চুরি করে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন তিনি। ভুক্তভোগীদের সাথে তিনি যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন তা ব্যবহার করে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ভিকটিমদের সাথে যোগাযোগ করেন না। উন্নয়ন ও নগদ হিসাবও বেনামী করা হয়েছে।ডিবি কর্মকর্তারা জানান, চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন বাসা ও গ্যারেজ থেকে মিনি পিকআপ চুরি করে। এই ক্ষেত্রে, তারা ‘মাস্টার কী’ ব্যবহার করে। তারা মূলত গভীর রাতে গাড়ি চুরি করে। চুরির কিছুক্ষণ পর তারা গাড়ির মালিককে ফোন করে টাকা দাবি করে।

জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাত দলের প্রধান

আজিজুলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে ডিবি জানায়, আজিজুল ১৯৯৬ সালে কিশোর বয়সে বাগেরহাট থেকে ঢাকায় আসেন। প্রথমে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ২০০৬ সালে, তিনি বাস চালকের সহকারী হিসাবে চাকরি নেন। ২০১৫ সালে নারায়ণগঞ্জে গিয়ে অটোরিকশা চালানো শুরু করেন। অটোরিকশা চালাতে গিয়ে চোর চক্রে জড়িয়ে পড়েন। পিকআপ ভ্যান চুরি করলে দুই থেকে তিন হাজার টাকা পেতেন। ২০১৬ সালে গ্রেপ্তার হয়ে জেলে পাঠানোর পর, তিনি একটি নতুন চক্র শুরু করার এবং আরও উপার্জন করার সিদ্ধান্ত নেন। সাত মাস পর জামিনে মুক্তি পেয়ে নতুন চক্র গঠন করেন তিনি। তার চক্রের বেশিরভাগ সদস্যই অটোরিকশাচালক।

একটি দুঃসাহসিক পালানো দেশীয় খবর

একটি দুঃসাহসিক পালানো দেশীয় খবর

একটি দুঃসাহসিক পালানো দেশীয় খবর, ফরাসি সমুদ্রবন্দর তুল থেকে অভিযান শুরু হয়।

রোমাঞ্চকর গল্প নয়। যাইহোক, ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে এগিয়েছে সেই বিন্দু থেকে স্পেন, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ভারত

এবং পাকিস্তানি হানাদারদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বাংলাদেশ পর্যন্ত, তা কোনো রোমাঞ্চের বাইরে। সুদূর ইউরোপের

আটজন নাবিক যেভাবে ইউরোপ থেকে পালিয়ে এসে বুকে মাইন বেঁধে সাগরের অন্ধকার রাতে মাইল

মাইল সাঁতরে সাগরে ও সমুদ্রবন্দরে শত্রুদের আঘাত করেছিল, সেই গল্প নিয়ে।প্রথমে এই বীর বীর

যোদ্ধাদের পরিচয় দেওয়া যাক। তারা খুলনার চিফ পেটি অফিসার গাজী মোহাম্মদের সন্তান।পশ্চিম পাকিস্তান

১৯৬৯  সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে দুটি অত্যাধুনিক সাবমেরিন কিনেছিল। এর মধ্যে একটির নাম পিএনএস ম্যাংরো।

এতে ৫৬ জন নৌসেনা প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

একটি দুঃসাহসিক পালানো দেশীয় খবর

রহমত উল্লাহ বীরপ্রতীক, ফরিদপুরের পেটি অফিসার সৈয়দ মো. মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা পেটি অফিসার আমানুল্লাহ শেখ বীর বিক্রম, রংপুরের নাবিক বদিউল আলম বীর উত্তম, চট্টগ্রাম বেতার অপারেটর আব্দুল ওয়াহেদ চৌধুরী বীর উত্তম, নোয়াখালী মেকানিক মোহাম্মদ আহসানউল্লাহ বীরপ্রতীক, টাঙ্গাইল ইলেকট্রিকাল মেকানিক শহীদ আব্দুর রহমান বিক্রম। .এদের মধ্যে ১৩ জন বাঙালি। প্রশিক্ষণ শেষে সাবমেরিনটি পাকিস্তানে উড্ডয়নের পরিকল্পনা ছিল। ১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল যাত্রা শুরু হবে। তার আগে অন্য সাবমেরিনটি পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।১৯৭০ সালের জানুয়ারি মাসে ম্যাংগ্রোতে নৌ প্রশিক্ষণ শুরু হয়। ১৯৭১ সালের ২৬ ও ২৭ মার্চ বিবিসি নিউজ বুলেটিন থেকে বাঙালি নৌবাহিনীর কানে আসে অত্যন্ত খারাপ খবর। তারা জানতে পারে যে পশ্চিমা হানাদাররা দেশের নিরীহ জনগণের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা

ঘোষণা করেন। দেশের বীর সন্তান এবং বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনীর বাঙালি সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে শত্রুর মোকাবিলা করেন। ভারতে আশ্রয় নিচ্ছেন। তাদের বুকে জ্বলে প্রতিশোধের আগুন।কিন্তু বুঝলেন না। রেডিও অপারেটর আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী বীর উত্তম ২১ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বদেশে ফ্রান্স থেকে তাদের পালানোর দীর্ঘ স্মৃতিচারণ করেছিলেন। এছাড়াও, নৌকমান্ডো বলেন। খলিলুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থেও এর বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। এই সারসংক্ষেপ সেখান থেকে।দেশে গণহত্যার খবর শোনার পর বাঙালি নৌবাহিনী একে অপরের সঙ্গে খুব গোপনে কথা বলে বুঝতে পারে তাদের মধ্যে ৯ জন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে প্রস্তুত। প্রথমে তারা ভেবেছিল সাবমেরিন উড়িয়ে দেবে।ফরাসি কর্তৃপক্ষ হস্তান্তর করতে হস্তক্ষেপ করতে পারে এই ভয়ে ফরাসি নাবিকরা সাবমেরিনটি ছেড়েছিল বলে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করেনি।

কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক

গণমাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধারা প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে যাচ্ছেন বলে খবর পেয়ে তারা ফ্রান্স থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কাজটি সহজ ছিল না। বাঙালি নৌবাহিনী তুল থেকে পালিয়ে নিরপেক্ষ দেশ সুইজারল্যান্ডে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তার আগেই বড় ঝুঁকি নিয়ে লকার থেকে পাসপোর্ট বের করে একে অপরের কাছে নিয়ে যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৯ মার্চ একে একে এই ৯ জন বাঙালি নৌবাহিনী আলাদাভাবে নৌঘাঁটি ত্যাগ করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা গাজী মো. রহমত উল্লাহর নেতৃত্বে একজন ছাড়া বাকি সবাই মিলিত হয় মার্শ শহরে। এখান থেকে ট্রেনে ওঠেন জেনেবাগামী।পরের দিন সকালে তারা জেনেভা পৌঁছে। কিন্তু ভিসা না থাকায় তারা দেশে প্রবেশ করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে পরের ট্রেনটি ফ্রান্সে ফিরে আসে। এবার তারা লিওন শহরে অবতরণ করলেন। এরই মধ্যে তুল থেকে স্পেনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে ম্যাংরো সাবমেরিন।

 

ভারতীয় সীমান্তে তিনটি ইয়াবা কারখানার সন্ধান

ভারতীয় সীমান্তে তিনটি ইয়াবা কারখানার সন্ধান

ভারতীয় সীমান্তে তিনটি ইয়াবা কারখানার সন্ধান, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় অংশে তিনটি

ইয়াবার কারখানা রয়েছে বলে দেশটির মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানতে পেরেছে। প্রতিষ্ঠানটি

বলছে, এই তিনটি কারখানায় উৎপাদিত ইয়াবা বড়ি দুই বছর ধরে বাংলাদেশে আসছে। বাংলাদেশে চোরাচালানের জন্য

কারখানায় ইয়াবা তৈরি হয়।ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ব্যুরো অব নারকোটিক্স কন্ট্রোলকে

আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য প্রকাশ করে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে। গত ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ

ব্যুরো ও বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সপ্তম দ্বিপাক্ষিক

ভার্চুয়াল সম্মেলনে এ অনুরোধ জানানো হয়।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

ভারতীয় সীমান্তে তিনটি ইয়াবা কারখানার সন্ধান

বৈঠকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, শুধু এই তিনটি কারখানা নয়, ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা আমদানি করছে। মাদক পাচারকারীরাও এ কাজে ভারতের সমুদ্র ব্যবহার করছে। বৈঠকে বাংলাদেশ আরও জানায়, ভারত থেকে ফেনসিডিল ও হেরোইন, গাঁজা ও বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনের মতো মাদক বিভিন্ন নামে আসছে।সূত্রের মতে, বৈঠকে ভারতীয় ড্রাগ কন্ট্রোল এজেন্সির ড্রাগ পাচার রোধ, ক্ষমতা বৃদ্ধি, বুদ্ধি বিনিময় এবং আন্তঃদেশীয় মাদক পাচারকারীদের সম্পর্কে একে অপরকে জানানোর জন্য একসাথে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুস সবুর মন্ডল প্রথম আলোকে বলেন, ভারতের কিছু এলাকা দিয়ে ইয়াবা বাংলাদেশে পাচার হয়।

সেটা ভারতকে জানানো হয়েছে

ভারতের সঙ্গে মাদক পাচারের নতুন রুট নিয়ে আলোচনা হয়েছে।ভারতের বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যে তিনটি ইয়াবা কারখানার উল্লেখ করেছে, তার মধ্যে দুটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে এবং একটি উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায়। মিয়ানমার থেকে এমফিটামিন আমদানি করে এসব কারখানায় ইয়াবা তৈরি করা হয়।বৈঠকে উপস্থাপিত নথি অনুযায়ী, বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্তে জিরো লাইন থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে কোচবিহারের একটি কারখানা। কারখানার মালিক স্থানীয় আব্দুল সামাদের ছেলে মো. আল আমিন ইসলাম (৩৫)। একই সীমান্তের ৪০০ মিটারের মধ্যে আরেকটি কারখানা। এ কারখানার মালিক স্থানীয় হযরত আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৫)। তৃতীয় কারখানাটি সাতক্ষীরা সীমান্তের ওপারে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনায়। কারখানাটি সীমান্তের জিরো লাইন থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে। মালিক ডিম্পল নামে এক ব্যক্তি।

বৈঠকে তিনটির সুনির্দিষ্ট বিবরণ তুলে ধরা

হলেও বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, ইয়াবা কারখানার সংখ্যা আরও বেশি। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের বাইরে আসাম ও মেঘালয়ে ইয়াবার কারখানা রয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ভারত সীমান্তে ১১টি ইয়াবা কারখানার গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছেন। তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবার কারখানা গড়ে তোলার বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেছে। তবে মাদক দমনে বিজিবি তৎপরতা জোরদার করেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের রুট হিসেবে ভারতকে ব্যবহার করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। ইয়াবা প্রথমে মিয়ানমার থেকে মিজোরাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এটি ত্রিপুরা, মেঘালয় ও আসাম হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

কঙ্গনাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার ও বিজেপি

কঙ্গনাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার ও বিজেপি

কঙ্গনাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার ও বিজেপি, পদ্মশ্রী পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত

ক্ষমতাসীন দল বিজেপি ও সরকারকে গভীর বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছেন। বিব্রতকর অবস্থা এতটাই

বেশি যে কীভাবে সামলানো যায় তা নিয়ে কেউ ভাবছে না। বিরোধী দলগুলি অবিলম্বে কঙ্গনাকে

দেওয়া পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।তিন দিন আগে, ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ রাষ্ট্রপতি

ভবনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের হাতে পদ্ম পুরস্কার তুলে দেন। কঙ্গনা তার অসামান্য

অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।এটি পাওয়ার পরে, কঙ্গনা একটি টিভি

চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন যে ভারত ২০১৪ সালে স্বাধীন হয়েছিল (যে বছর নরেন্দ্র মোদি

ক্ষমতায় এসেছিলেন)।১৯৪৭ সালে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা ছিল ‘ভিক্ষা’।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

কঙ্গনাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার ও বিজেপি

এই মন্তব্যে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। কঙ্গনাকে দেওয়া সম্মান অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগও তুলেছেন দলের কয়েকজন নেতা। এই যৌথ দাবিতে বিব্রত শাসক বিজেপি ও সরকার।কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা টুইট করেছেন যে কঙ্গনার পদ্মশ্রী খেতাব এখনই প্রত্যাহার করা উচিত। রাষ্ট্রপতিকে ট্যাগ করে তিনি বলেন, এ ধরনের সম্মাননা দেওয়ার আগে দেখতে হবে প্রাপক মানসিকভাবে স্থিতিশীল কি না।আনন্দ শর্মা লিখেছেন যে তিনি মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহেরু, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, ভগত সিং, চন্দ্রশেখর আজাদের মতো অগণিত স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে অসম্মান করেছেন। কংগ্রেসের মতে, কঙ্গনা যা বলেছেন তা দেশদ্রোহিতার সামিল।মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন জোটের শরিক এনসিপির নেতা নবাব মালিক সরাসরি কঙ্গনার গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

তার ধারণা নেশার মধ্যেই এমন কথা

বলেছেন অভিনেত্রী। কংগ্রেসের মতো নবাব মালিকও এই পদবি প্রত্যাহারের দাবি জানান।শিবসেনা নেত্রী নীলম গোর বলেছেন, দেরি না করে কঙ্গনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা উচিত। একই দাবি করেছেন আম আদমি পার্টির নেতা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি মুম্বাই পুলিশকে কঙ্গনার বিরুদ্ধে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন।বিজেপি এই ইস্যুতে উল্লেখযোগ্যভাবে নীরব। এমনকি যারা বিরোধীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনেন এবং মামলা দায়ের করেন তারাও কঙ্গনার বক্তব্য আড়াল করার উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না। দলের এক শীর্ষ নেতা বিব্রতকর পরিস্থিতি স্বীকার করে বলেছেন, অভিনেত্রী রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করেছেন।বিজেপি বাকরুদ্ধ হলেও শাসক দলের সাংসদ বরুণ গান্ধী সোচ্চার। সম্প্রতি, বরুণ কৃষি আইন সহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করছেন।

কঙ্গনা বিতর্কে তিনি টুইট করেছেন যে

কখনও গান্ধীজির আত্মত্যাগের সমালোচনা করা হয়, কখনও তার হত্যাকারীর প্রশংসা করা হয়, এখন মঙ্গল পান্ডে, রানি লক্ষ্মীবাই, ভগত সিং, চন্দ্রশেখর আজাদ, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এবং লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের তুচ্ছ করা হয়েছে। এটা কি শুধুই পাগলামি নাকি বিশ্বাসঘাতকতা?কঙ্গনা রানাউত কিছুদিন ধরেই মোদি সরকার ও বিজেপির স্বঘোষিত সমর্থক। বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের সিদ্ধান্তকে তিনি শুধু সমর্থনই করছেন না, বিতর্কেও জড়িয়ে পড়ছেন। আসলে কঙ্গনা আর বিতর্ক যেন সমার্থক হয়ে উঠেছে। বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশনের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন তিনি। মামলা হয়েছে। রাজপুতের আত্মহত্যার জন্য মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মানসিকতাকে দায়ী করেছেন অভিনেতা সুশান্ত সিং। নারীবাদীদের সাথে বিতর্কে লিপ্ত। আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন গায়িকা-অভিনেত্রী রিহানাকে কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করার জন্য “সন্ত্রাসী” এবং সেই সাথে আন্দোলনকারী কৃষকদের “বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী” হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

কেরালায় নারী শিক্ষকদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা যাবে না

কেরালায় নারী শিক্ষকদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা যাবে না

কেরালায় নারী শিক্ষকদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা যাবে না, নারী শিক্ষকদের অবশ্যই শাড়ি পরতে হবে।

কেরালার কোডুঙ্গাল্লুরের এক অধ্যাপক এমন প্রথা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। শুধু তিনিই নন,

আরও কয়েকজন মহিলা শিক্ষকও শাড়ি পরার নিয়মে আপত্তি জানিয়েছেন। এসব অভিযোগ ও আপত্তির

পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের কেরালা রাজ্য এই প্রথা বন্ধের পদক্ষেপ নিয়েছে। খবর এনডিটিভির।শুক্রবার

রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী আর বিন্দু বলেছিলেন যে এটি কেরালার অগ্রগতির বিরুদ্ধে। কে কী পরবে তা নির্ভর

করে তার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ওপর। উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরও এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

কেরালার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী বিন্দু বলেছেন, পোশাকের সমালোচনা বা অন্যের ব্যক্তিগত পছন্দে হস্তক্ষেপ করার অধিকার

কারও নেই।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

কেরালায় নারী শিক্ষকদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা যাবে না

সবাই যার যার পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরবে।এবং বিন্দু যোগ করেছেন যে কেরালার শিক্ষকদের তাদের উপযুক্ত পোশাক পরার অধিকার রয়েছে। মহিলা শিক্ষকদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা কেরালার প্রগতিশীলতার বিরুদ্ধে।শিক্ষামন্ত্রী আর বিন্দু ত্রিশুরের কেরালা ভার্মা কলেজের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি জানান, এক সময় তিনি নিয়মিত চুড়িও পরতেন। তিনি বলেন, পোশাক পরা ব্যক্তিগত বিষয়। অন্যের ব্যক্তিগত পছন্দের সমালোচনা বা হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারো নেই।মন্ত্রী আর বিন্দু আরও বলেছেন যে ৯ মে, ২০১৪-এ কেরালা সরকার শিক্ষকদের শাড়ি পরার বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। তা সত্ত্বেও রাজ্যের বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহিলাদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা হচ্ছে।

এজন্য উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে নতুন

প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।ভারতের মধ্যপ্রদেশে আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে একটি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে যোগ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফর মাত্র চার ঘণ্টার। এই সফরের আয়োজনে রাজ্য সরকার ২৩ কোটি টাকা খরচ করতে চলেছে। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির।১৫ নভেম্বর মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে ‘আদিবাসী গর্ব দিবস’ অনুষ্ঠিত হবে। আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধা লর্ড বিরসা মুন্ডা ও আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে সপ্তাহব্যাপী এ উৎসব চলবে। মধ্যপ্রদেশ ছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারও ১৫ থেকে ২২ নভেম্বর সারা দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।আদিবাসী গর্ব দিবস উপলক্ষে ভোপালের জাম্বোরি ময়দানে মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ১৫ নভেম্বর সেখানে উপস্থিত থাকবেন মোদি।

যদিও তাঁর সফর চার ঘণ্টার তবে

তিনি মঞ্চে থাকবেন ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। এবং রাজ্য সরকার যে ২৩ কোটি টাকা খরচ করেছে, তার মধ্যে মাত্র ১৩ কোটি টাকা খরচ হবে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকেদের জাম্বোরি ময়দানে আনার জন্য।এনডিটিভি জানায়, উৎসবের দিন মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দুই লাখ আদিবাসী উপস্থিত থাকবেন। সে কথা মাথায় রেখে ব্যবস্থাও করা হয়েছে। জাম্বুরি ময়দান উপজাতীয় কিংবদন্তি নেতাদের প্রতিকৃতি এবং আদিবাসীদের শিল্পকর্ম দিয়ে সজ্জিত করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি সফল করতে তিন শতাধিক কর্মী এক সপ্তাহ ধরে কাজ করছেন। তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল।অনুষ্ঠানে ৫২ জেলার মানুষ উপস্থিত থাকবেন। তাদের বাসস্থান ও যাতায়াতের খরচ ধরা হয়েছে ১২ কোটি টাকার বেশি। পাঁচটি গম্বুজ নির্মাণ, তাঁবু, সাজসজ্জা ও প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি টাকার বেশি।মধ্যপ্রদেশে আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত ৪৬ টি আসন রয়েছে।

ভারতে শীঘ্রই অনুমোদন পাবে করোনা ট্যাবলেট

ভারতে শীঘ্রই অনুমোদন পাবে করোনা ট্যাবলেট

ভারতে শীঘ্রই অনুমোদন পাবে করোনা ট্যাবলেট, ভারত করোনা চিকিৎসায় দুটি মুখের ওষুধ ব্যবহারের জন্য

জরুরি অনুমোদন দিতে চলেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ কোম্পানি মার্কের মালনুপিরাভি ট্যাবলেট

শিগগিরই অনুমোদন পাবে। ফাইজারের প্যাক্সলোভিড ট্যাবলেটগুলিও বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এটি অনুমোদন

হতে কিছুটা সময় লাগবে। বুধবার এনডিটিভিকে জানিয়েছেন ভারতের কোভিড স্ট্র্যাটেজি গ্রুপ-সিএসআইআর-এর

চেয়ারম্যান রাম বিশ্বকর্মা।এই মুহূর্তে করোনারি হৃদরোগ প্রতিরোধে টিকা দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া

হচ্ছে। তবে আগামী দিনে ভ্যাকসিনের চেয়ে ওরাল ট্যাবলেট বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করেন

রাম বিশ্বকর্মা। তিনি বলেন, মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট পরিস্থিতি বদলে দেবে।সিএসআইআর-এর প্রধান

মনে করেন, করোনা চিকিৎসায় মুখের ওষুধ আবিষ্কারের মাধ্যমে ভাইরাসের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে গেছে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

ভারতে শীঘ্রই অনুমোদন পাবে করোনা ট্যাবলেট

তিনি আশ্বাস দেন, ‘আমার মনে হয় মালনুপিরাভি আমাদের নাগালের মধ্যেই হতে চলেছে। পাঁচটি কোম্পানি ওষুধ প্রস্তুতকারকের সঙ্গে কথা বলছে। আমার অনুমান যে মলনুপিরাভির যে কোনও দিন অনুমোদন পাবে। ‘এদিকে, ফাইজার বলেছে যে এর প্যাক্সলোভিড ট্যাবলেটগুলি ক্লিনিকাল ট্রায়াল অনুসারে, করোনারি হৃদরোগের পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং মৃত্যুর ঝুঁকি ৬৯ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। রাম বিশ্বকর্মাও এই ওরাল ট্যাবলেট নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, পাঁচটি কোম্পানি মার্কের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তারা ওষুধ তৈরির জন্য বেশ কয়েকটি কোম্পানিকে লাইসেন্স দিয়েছে এবং একই কাজ করবে। কারণ, ওষুধ উৎপাদনে তাদের নির্ভর করতে হয় ভারতের ওপর।করোনার মৌখিক ওষুধগুলি ঝুঁকিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ব্যবহার করা হবে, বলেছেন রাম বিশ্বকর্মা।

তিনি বলেন প্রাথমিকভাবে মালনুপিরাভিরের

মাধ্যমে করোনার চিকিৎসায় দুই হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা খরচ হবে। পরে দাম নেমে আসবে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকায়।ভারতের মণিপুর রাজ্যে সন্ত্রাসী হামলায় কর্নেল পদমর্যাদার এক সেনা কর্মকর্তা তার স্ত্রী ও সন্তানসহ নিহত হয়েছেন। শনিবার সকাল ১১টার দিকে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী মনিপুরের চুরাচাঁদপুর জেলায় হামলায় আরও চার সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন।নিহত কর্নেল বিপ্লভ ত্রিপাঠি ৪৭ তম আসাম রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ক্যাম্প পরিদর্শন থেকে ফেরার পথে তার কনভয় হামলার শিকার হয়। ঘটনাটিকে সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।একটি বিবৃতিতে আসাম রাইফেলস বলেছে যে ৪৭ তম আসাম রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল বিপ্লভ ত্রিপাঠি সহ পাঁচজন সেনা কর্মী দায়িত্ব পালনে তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

কমান্ডিং অফিসারের স্ত্রী ও সন্তানরাও

নিহত হয়।কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে, মণিপুর-ভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী দল পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এই হামলার পিছনে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তাদের মতে, ওই এলাকায় সক্রিয় অন্তত চারটি বিচ্ছিন্নতাবাদী দল হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল। দুপুরের কিছুক্ষণ পর পুলিশের একটি কনভয়ের সামনে বোমা হামলা চালায়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়।এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং বলেছেন, সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির মতো মণিপুরেও বেশ কয়েকটি সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে৷ রাজ্যটি চীন, মায়ানমার, বাংলাদেশ এবং ভুটানের সাথে সীমান্ত ভাগ করে। সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ভারত কয়েক দশক ধরে সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে।

ডাক্তাররা যে ওষুধের জন্য অপেক্ষা করছিলেন

ডাক্তাররা যে ওষুধের জন্য অপেক্ষা করছিলেন

ডাক্তাররা যে ওষুধের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, করোনার ওষুধ মালনুপিরাভিরকে ‘গেম চেঞ্জার’ আখ্যা দিয়েছেন

দেশের শীর্ষ চিকিৎসকরা। মালনুপিরাভি ওষুধের অভাব পূরণ করবে যা ডাক্তাররা অপেক্ষা করছেন,

তিনি বলেছিলেন। এটি পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে সাহায্য করবে। বাংলাদেশে ওষুধটি বাজারে আনার জন্য তারা

ওষুধ কোম্পানি এসকেএফকে ধন্যবাদ জানান।শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত

বৈজ্ঞানিক সেমিনারে চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন। সেমিনারটি আয়োজন করে দেশের অন্যতম

ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। সেমিনারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল

বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)সহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, চিকিৎসক ও স্নাতকোত্তর

পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

ডাক্তাররা যে ওষুধের জন্য অপেক্ষা করছিলেন

সেমিনারে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ খান আবুল কালাম আজাদ বলেন, করোনা একটি দুঃস্বপ্নের মতো। গত বছরের এপ্রিল-মে মাসে, যখন চিকিত্সকরা কী করবেন তা নির্ধারণ করতে অক্ষম, বাজারে প্রতিকার আনতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। চিকিত্সকরা ওষুধের অগ্রগতি অনুসরণ করছিলেন। তারা ওষুধের অপেক্ষায় ছিল। মালনুপিরাভি বাজারে আনার জন্য এসকেএফকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ বলেন, “আমরা হয়তো এখন ভালো চিকিৎসার ফলাফল পেতে পারি।”স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পরিচালক ও মেডিসিন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ রোবেদ আমিন নতুন ওষুধের বৈজ্ঞানিক বিষয়বস্তু ও পরীক্ষার ইতিহাসের ওপর মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে করোনাভাইরাস মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং কীভাবে এই নতুন ওষুধটি ভাইরাসকে পরাজিত করে।

এরপর তিনি ওষুধের বিভিন্ন পরীক্ষা

(ট্রায়াল) এবং এর ফলাফল উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের নির্ধারিত ডোজ পাঁচ দিন খাওয়ার পর আরটিপিসিআর পরীক্ষায় করোনাভাইরাসের পরিমাণ শূন্যে পৌঁছেছে।তবে ওষুধটি যৌক্তিকভাবে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন রোবেদ আমিন। তিনি বলেন, করোনার লক্ষণ দেখা দিলেই ওষুধ শুরু করতে হবে। হালকা এবং মাঝারি উপসর্গ থাকলেই ওষুধটি ব্যবহার করা উচিত। তীব্র লক্ষণে এই ওষুধ ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়নি। এটি গর্ভবতী মহিলাদের বা ১৮ বছরের কম বয়সীদের দ্বারা ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয় না।কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরটিপিসিআর টেস্টেও করোনা ধরা পড়ে না, ভ্যাকসিনপ্রাপ্ত ব্যক্তি এই ওষুধ খেতে পারবেন কি না, এসব বিষয়ে প্রশ্ন করেন সেমিনারে উপস্থিত চিকিৎসকরা। রোবেদ আমিন বলেন, উপসর্গ না থাকলে বা আরটিপিসিআর পরীক্ষায় রোগ শনাক্ত না হলে কাউকে ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া উচিত নয়।

অন্যদিকে করোনা ভ্যাকসিনের প্রতি

এই ওষুধের প্রতিক্রিয়া নিয়ে এখনও গবেষণার ফলাফল পাওয়া যায়নি।তবে অনুষ্ঠান শেষে রোবেদ আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ভ্যাকসিন নেওয়া ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। যদি তার আরটিপিসিআর ধরা পড়ে তবে তাকে এই ওষুধটি ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।বক্তব্য রাখেন শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ফারুক আহমেদ, অধ্যাপক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়, রেডিওলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক, রিউমাটোলজি বিভাগ, বিএসএমএমইউ এবং মোঃ হারিসুল হক। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাংলাদেশে ওষুধ আনার জন্য তারা প্রত্যেকে এসকেএফকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।অনুষ্ঠান শেষে এসকেএফের নির্বাহী পরিচালক (বিপণন ও বিক্রয়) মো. মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম জানান, ওষুধটি বিদেশে রপ্তানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এসকেএফের এই উদ্যোগ দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।

আরিফিন শুভকে দিয়ে হিমালয়ে পুরুষদের ফেসওয়াশ এনেছে

আরিফিন শুভকে দিয়ে হিমালয়ে পুরুষদের ফেসওয়াশ এনেছে

আরিফিন শুভকে দিয়ে হিমালয়ে পুরুষদের ফেসওয়াশ এনেছে, দেশের একটি সুপরিচিত ওয়েলনেস ব্র্যান্ড

হিমালয় পুরুষদের জন্য ফেসওয়াশ চালু করেছে। হিমালয় মেন, পুরুষদের ত্বকের যত্নে আরিফিন শুভর

সাথে তাদের নতুন ক্যাম্পেইন ‘ড্যাশিং মেনস স্ম্যাশিং ফেস ওয়াশ’ চালু করেছে।দীর্ঘদিন ধরে, ত্বকের

যত্ন শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য প্রয়োগ করা হয়েছিল। এবং পুরুষদের জন্য অপ্রয়োজনীয়। তবে হিমালয়

ওয়েলনেস অনুসারে, মহিলাদের মতো পুরুষদেরও প্রতিদিন তাদের ত্বকের যত্ন নেওয়া দরকার। হিমালয় মেন’স

ফেস ওয়াশ এই যুগের ধাবমান পুরুষদের জন্য ভেষজ এবং প্রাকৃতিক সূত্র দিয়ে তৈরি। আর আরিফিন শুভ

একজন ড্যাশিং পুরুষের নিখুঁত উদাহরণ। হিমালয় মেইনের ব্যবহারকারী প্রত্যেক পুরুষের ‘ড্যাশিং’

চেহারার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, হিমালয় বাংলাদেশের বিজনেস হেড শ্রীকান্ত আইয়ার বলেছেন।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

আরিফিন শুভকে দিয়ে হিমালয়ে পুরুষদের ফেসওয়াশ এনেছে

নতুন কাজ নিয়ে আরিফিন শুভ বলেন, ‘হিমালয়ের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। তাদের ব্র্যান্ড ফেসওয়াশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে পেরে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত। এটি এমন একটি ব্র্যান্ড যা আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি এবং বিশ্বাস করি। আশা করি, হিমালয়ান মেনের সাথে আমার যাত্রা দীর্ঘতর হবে। ‘আরিফিন শুভ বর্তমানে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের আইডল, ড্যাশিং তারকা। মডেলিং এবং সিনেমায় তার উজ্জ্বল ক্যারিয়ার রয়েছে। আমরা তাকে একজন স্মার্ট এবং ফিট যুবক হিসেবে দেখি। বাইরে থেকে কঠোরভাবে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করবেন না। তবে একই সাথে তার প্রিয়জন এবং ভক্তদের প্রতি কোমল। হিমালয় মেনস ব্র্যান্ডের ট্যাগলাইন ‘ড্যাশিং মেনস স্ম্যাশিং ফেস ওয়াশ’ তার ব্যক্তিত্বের সাথে মিলে যায়। যা আমাদের ভোক্তাদের বলে যে এমনকি সবচেয়ে শক্ত, যোগ্যতম ব্যক্তিরও সঠিক ত্বকের যত্ন প্রয়োজন।

দেবাংশু শেঠ হেড অফ মার্কেটিং অ্যান্ড

ই-কমার্স, হিমালয় বাংলাদেশ, বলেন যে ব্যক্তিগত সাজ-সজ্জা এখন পুরুষদের জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু সময়সাপেক্ষ ও বিরক্তিকর কিছু করতে তারা আগ্রহী নয়। তারা ত্বকের যত্নে সহজ এবং কার্যকর কিছু চায়। যা তাদের ভিতরে একটি নতুন অনুভূতি দেবে এবং বাইরে থেকে তাদের আকর্ষণীয় করে তুলবে। পুরুষদের উচিত তাদের নিজস্ব ত্বকের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক পণ্য ব্যবহার করা। এবং সেই ক্ষেত্রে, তারা নিরাপদে হিমালয় মেনের স্ম্যাশিং ফেস ওয়াশ নিতে পারে।হিমালয়ান মেইন গ্রুমিং রেঞ্জে পিম্পল ক্লিয়ার, ইনটেনস অয়েল ক্লিয়ার, পাওয়ার গ্লো, অ্যাক্টিভ স্পোর্ট এবং ফেস অ্যান্ড বিয়ার্ড ওয়াশের বিশাল হার্বাল রেঞ্জ রয়েছে। এই রেঞ্জের পণ্যগুলি স্বপ্ন, ইউনিমার্ট, টপ ই সহ বাংলাদেশের সমস্ত খুচরা দোকানে পাওয়া যায়। -সাজগোজ, চালডাল, দারাজ এবং পান্ডামার্ট সহ কমার্স স্টোর।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস, সান ফ্রান্সিসকো, মিয়ামিতে একই দিনে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি।

পরবর্তী পদক্ষেপ হল ডালাস অস্টিন

হিউস্টন, ভার্জিনিয়া কয়েকটি শহর ছেড়ে দেওয়া; ওয়াশিংটন ডিসি, বোস্টন, নিউ জার্সি, আটলান্টা, ফিনিক্স, সিয়াটেল, পোর্টল্যান্ড, ডেট্রয়েট, স্যাক্রামেন্টো, রিভারসাইডে এবং প্রথমবারের মতো আলবানি এবং আলাবামা, হান্টসভিল, নিউইয়র্ক।বায়োস্কোপ ফিল্মসের কর্ণধার রাজ হামিদ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুঠোফোনে বলেন, এছাড়া ‘কণ্ঠ’ ও ‘বিজয়া’সহ কলকাতার বেশ কিছু ছবি দেখিয়েছি। কিন্তু আমরা দেখেছি, কলকাতার চেয়ে এখানকার বাঙালি দর্শকদের বাংলাদেশি ছবির প্রতি আলাদা আগ্রহ রয়েছে। থিয়েটারে দর্শকের অংশগ্রহণও বেশি দেখেছি। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা ‘মিশন এক্সট্রিম’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক প্রদর্শনীর আয়োজন করতে যাচ্ছি।আগামী ৩ ডিসেম্বর এশিয়া, আমেরিকা ও ওশেনিয়ায় একযোগে মুক্তি পাবে ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমাটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং নিউজিল্যান্ডের দর্শকরাও বাংলাদেশি দর্শকদের মতো একই সময়ে সিনেমাটি দেখার সুযোগ পাবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কপ ক্রিয়েশন।