এক সময় হুমায়ূনের স্মৃতিতে

এক সময় হুমায়ূনের স্মৃতিতে

এক সময় হুমায়ূনের স্মৃতিতে, শব্দের জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ বৃষ্টির দিনে সবাইকে ছেড়ে আকাশে মেঘের

কাছে চলে গেছেন। শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে রাজধানী থেকে অদূরে গাজীপুরের প্রত্যন্ত এলাকা পিরুজালীতে

প্রিয় নুহাশপল্লীতে একটি মাটির বিছানায় শায়িত করা হয়।করোনার নিষেধাজ্ঞার আগেও আমার

প্রিয় লেখকের স্মৃতির পাতায় ফিরে আসার প্রবল ইচ্ছা ছিল। যেখানে পাখি, গাছ, ইট, পাথর আর টিনের

ঘ্রাণ জড়িয়ে আছে প্রতিটি স্থাপনার সঙ্গে। হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নুহাশপল্লী সেই ভাবনা

থেকেই ফিরে আসেন।পরিকল্পনা অনুযায়ী সকালে বাসে করে সাভার ছেড়েছি। যানজট, ধুলাবালি আর

উঁচু-নিচু রাস্তায় দুই ঘণ্টায় দুটি ভিন্ন যানবাহনের যাত্রা শেষে পৌঁছে গেলাম হোতাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে।

সেখান থেকে হুমায়ূন আহমেদের বাড়ির সামনে পিরুজালীর সিএনজি চালক জসিম উদ্দিনের গাড়িতে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

এক সময় হুমায়ূনের স্মৃতিতে

দুপুরে কাঠবিড়ালিটিকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে নামতে দেখা যায়। মনে হচ্ছিল সে আমার সাথে লুকোচুরি খেলছে। নুহাশপল্লীর প্রধান ফটক মাত্র কয়েক ধাপ দূরে। ২০০ টাকা দিয়ে টিকিট কিনে হুমায়ূনের স্মৃতিতে প্রবেশ করলাম।একটু এগোলেই মনে হয় হুমায়ূন আহমেদের একটি ম্যুরাল স্বাগত জানিয়ে বসে আছে। উল্টো দিকে এক মা ছোট্ট শিশুর হাত ধরে আছেন। সারাদিন সেই মা-ছেলেকে দেখতে কেমন লাগে হুমায়ূন! হুমায়ূনের নুহাশপল্লী যাত্রার কথা ভাবতে থাকে।পাকা সড়কে শ্যাওলার স্তর জমে আছে। চেয়ার-টেবিল বকুলতলায় বসে সেই পথে হাঁটছি। সাদা জায়গায় বসে সামনে দুজনের দেখা হলো। জীবিত নয়, পাথরের মূর্তির আকারে তার সামনে ফলের ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক কিশোরী। যেন ভোরের আগে নিজের হাতে নাস্তা আনছেন। পাশেই পিঠে শুয়ে আছে একটি শিশু। বইটা হাতে দিলেই সে আ আ আ আ বি বলতে শুরু করবে।

কিছুক্ষণ বসে থাকার পর হাঁটা শুরু

করবে। কয়েক কদম দূরে দুপাশে বড় বড় তালগাছ।কাছেই স্বপ্নের গাছে মোড়ানো ছোট্ট পথ। পথের শেষে ছোট মাছের পুকুর। পুকুর পাড়ে আরেকটা সাদা পরী দাঁড়িয়ে আছে। সে মাছ দেখছে!উল্টো দিকে বাঁদিকে একটা বড় কাঠের দাবার টুকরো। কিন্তু খেলার সময় কই!হাতে সময় খুব কম। পুরো যাত্রা দ্রুত শেষ করতে হবে, তাই এগিয়ে যান।দেখা হবে ‘বৃষ্টিবিলাসে’। কিছুক্ষণ হাঁটু গেড়ে বসে রইলাম। এই বাড়িতেই হুমায়ূনের সাহিত্য তৈরি হয়েছে! জীবনের অনেক রোদ-বৃষ্টি দেখেছি! বাড়ির সামনে বসা একজন কেয়ারটেকারকে জিজ্ঞেস করতেই তিনি বললেন, একটু এগোলেই রয়েছে ভেষজ বাগান, মারমেইড আর প্রিয় লীলাবতী দীঘি।ইট পাকা রাস্তায় ফিরে যাত্রা। বড় ক্যাকটাস কয়েক ধাপ দূরে। পাশে বসা শিশুর মূর্তি। অযত্নে হারিয়ে গেল কার হাত! তার পেছনে বড় পাহাড়!আমরা কাছে যেতেই একটি বিশাল দানব দেখতে পেলাম।

মারমেইডটি পাহাড়ের মতো দানবের

সামনে জলে বসে আছে। দুজন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে! আরেকটু এগোতেই দেখা গেল শিশু প্রেমিক হুমায়ুনকে। একটি বিশালাকার ডাইনোসর, একটি সাপ দর্শনার্থীদের স্বাগত জানায়! এই ডাইনোসরের পাশেই রয়েছে হুমায়ূন আহমেদের ঔষধি গাছের প্রিয় বাগান। বাগানের সামনে লেখকের আবক্ষ মূর্তি।তারপর মৃত নবজাতক কন্যার লীলাবতী নামের পুকুরে যাত্রা। হুমায়ূনের যত্নে লেকের পাড় জড়িয়ে আছে। দিঘীর পাড়ে ‘ভূত বিলাস’ নামে বাংলো। সেখানে দাঁড়িয়ে লেকের মাঝখানে একটি ছোট দ্বীপ দেখতে পাবেন। লেখকের বেঁচে থাকার জন্য এখানে সঙ্গীতের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দ্বীপের দিকে যাওয়া কাঠের পুলের কাঠামো নড়বড়ে। সেই পুল পেরিয়ে দ্বীপ যাত্রা। এই দ্বীপে বসে লেখক হুমায়ূন আহমেদ প্রচুর সাহিত্য রচনা করেছেন।দুপুর গড়িয়েছে, চারিদিকে নেমে এসেছে নিস্তব্ধ বিকেল। হিমুরার চারিদিকে হলুদাভ রঙ। সেই বিকেলে যদি হুমায়ূন আহমেদ হেরে যেতেন তাহলে কী ভাবতেন? তার লেখা গানটা মনে পড়ে।

নেত্রকোনার দুর্গাপুর একটি অনন্য পর্যটন কেন্দ্র

নেত্রকোনার দুর্গাপুর একটি অনন্য পর্যটন কেন্দ্র

নেত্রকোনার দুর্গাপুর একটি অনন্য পর্যটন কেন্দ্র, সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা আমাদের অতুলনীয়

সৌন্দর্যের সবুজ ভূমি। স্বাধীনতা লাভের পর ধীরে ধীরে আমাদের দেশ গড়ে উঠেছে, যেখানে রয়েছে শত শত

নদী, অজস্র খাল-বিল, বিল, হাওর, পাহাড়। যেহেতু আজকের নিবন্ধটি দুর্গাপুরকে কেন্দ্র করে,

আমি কেবল এই জায়গাটি নিয়েই লিখব।বৈশিষ্ট্যগতভাবে, আমাদের টপোগ্রাফি তিনটি ভাগে বিভক্ত সাম্প্রতিক বন্যা

সমভূমি,  প্লাইস্টোসিন সোপান এবং টারশিয়ারি যুগের পাহাড়। প্রায় ৭৫ মিলিয়ন বছর আগে বাংলার কেন্দ্রস্থলে

যে পাহাড় ও শৈলশিরা গঠিত হয়েছিল তাদের আজ টারশিয়ারি পাহাড় বলা হয়। বর্তমানে দেশের দুটি

অঞ্চলেই সে সময়ের পাহাড় দেখা যায়: এক. উত্তর ও উত্তর-পূর্ব (ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ,

মৌলভীবাজার, সিলেট), দুই. দক্ষিণ-পূর্ব (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম)।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

নেত্রকোনার দুর্গাপুর একটি অনন্য পর্যটন কেন্দ্র

ভৌগোলিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই পাহাড়গুলো আমাদের দেশের মোট আয়তনের ১২ শতাংশ দখল করে আছে। ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুসারে পাহাড়গুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এক. টিপসুরমা (সর্বোচ্চ এবং খাড়া), দুই. দুপিটিলা (মাঝারি উঁচু ও খাড়া) এবং তিন. দিহিং (সর্বনিম্ন পাহাড়)। সম্প্রতি, আমি এবং আমার বন্ধুরা দিহিং শ্রেণীর পাহাড়ে ভ্রমণ করছি, যাকে অনেকে টিলা নামে চেনেন। এটি নেত্রকোনার দুর্গাপুর অঞ্চলের একমাত্র টারশিয়ারি যুগের সাদা মাটির পাহাড়, যা একটি জনপ্রিয় পর্যটক আকর্ষণ।নেত্রকোনা সদর থেকে ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে এই পাহাড়ি এলাকা। দুর্গাপুর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের একটি ছোট শহর, যেটি গারো পাহাড়ের তীরে, সোমেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত। এই শহরের তিনটি এলাকা পর্যটকদের কাছে খুবই বিখ্যাত- বিজয়পুর, বিরিশিরি ও রানীখং। ভারতের সোমেশ্বরী নদী এই তিনটি বিখ্যাত এলাকাকে বিভক্ত করেছে।

নদীর দক্ষিণ তীরে বিরিশিরি এবং

উত্তরে রাণীখং, বিজয়পুর। ১৯৮৬ সালে, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় বিশ্বের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রচারের জন্য বিরিশিরিতে দেশের প্রথম স্বায়ত্তশাসিত উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমি স্থাপন করে। সেই একাডেমিতে গারো, হাজং উপজাতির পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে অন্যান্য উপজাতিরা বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠানে আসে, যেখানে তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি উপস্থাপন করে। ফলে দর্শনার্থীরা সহজেই এলাকার উপজাতিদের সংস্কৃতি, সামাজিকতা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বুঝতে পারবেন।এরপর আছে রানিখং এলাকা। স্থানীয়রা জানায়, এই এলাকায় ‘খং-রানী’ নামে এক দানব বাস করত। এই দানবকে তখন সেখানে বসবাসরত গারো উপজাতিদের হাতে হত্যা করা হলে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এলাকার নাম হয় রাণীখং। ১৯১০ সালে এই এলাকায় একটি গির্জা নির্মিত হয়েছিল, যা এখনও দৃশ্যমান। বিজয়পুরে বিজিবি ক্যাম্পে যাওয়ার পথে হাতের ডানে গির্জা চোখে পড়ল।

এ ছাড়া রানীখং এলাকায় বেশ কয়েকটি

খণ্ডিত পাহাড় রয়েছে। স্থানীয় জনগণের ভাষায় এই স্থানটির নাম ‘কমলাবাগান’ (এটি এখন নেই)।স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে জানা যায়, মোশতাক আহমেদ ২০০৮ সালে এ এলাকার এমপি ছিলেন। সে সময় তিনি উল্লেখিত স্থানে একটি বিশাল কমলার বাগান করেছিলেন। এ কারণে এখনও অনেকে জায়গাটিকে কমলাবাগান বলে থাকেন। কমলাবাগান থেকে একটু উত্তরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্ট। বিনা অনুমতিতে ওই স্থানে যাওয়া নিষেধ থাকলেও ভুল করে চলে গিয়েছিলাম আসল প্রকৃতি দেখে। এক কথায়, একটি আকর্ষণীয় জায়গা। দুই সীমান্তে দুই পাহাড়, মাঝখানে বয়ে চলেছে সোমেশ্বরী নদী। দৃশ্যটি দেখে মনে হলো সোমেশ্বরী পাথুরে পাহাড়ের বুক চিরে বেরিয়ে এসে বাংলার বুকে নীরবে বয়ে চলেছে।তারপর রানীখং থেকে সোজা বিজয়পুর। এখানে দেখলাম দুর্গাপুরের আসল রহস্য, কেন এত দর্শনার্থী এখানে বেড়াতে আসেন।

 

 

আদিনা একদিন প্রকৃতির বন্ধনে মোড়া

আদিনা একদিন প্রকৃতির বন্ধনে মোড়া

আদিনা একদিন প্রকৃতির বন্ধনে মোড়া, মানুষ ভ্রমণ করতে ভালোবাসে। তাই বিনোদন ও আনন্দের স্বাদ কে

না চায়। সেই বিনোদন যদি প্রকৃতির সঙ্গে থাকে, আর সঙ্গে যদি প্রিয় বন্ধুরা থাকে, তাহলে আনন্দের

মাত্রা আরও বেড়ে যায়।দিনটি ছিল রবিবার। হঠাৎ কয়েকজন বন্ধু মনের সমস্ত ক্লান্তি দূর করতে এবং

আমার বুককে বিশুদ্ধ অক্সিজেন দিয়ে ক্ষণিকের জন্য প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। প্রকৃতির

কথা শুনে সাত প্রকৃতিপ্রেমী রাজি হয়ে কুমিল্লা আদিনা মুড়া যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।আদিনা মুড়া কুমিল্লা

শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এটি মূলত একটি পাহাড়ের নাম। কুমিল্লার

আঞ্চলিক ভাষায় অপেক্ষাকৃত ছোট পাহাড়কে মুড়া বলা হয়। উচ্চতা প্রায় ১০০ ফুট।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

আদিনা একদিন প্রকৃতির বন্ধনে মোড়া

চন্দ্র বংশের রাজা মানিক চন্দ্রের পুত্রবধূ অদুনার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে।১৯৫৫-৫৬ সালে, তৎকালীন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ একটি জরিপ পরিচালনা করে এবং ময়নামতির প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভের ধ্বংসাবশেষ বহনকারী ৫৪ টি স্থান সংরক্ষণের জন্য আদিনা মুরাকে ১৬ তম স্থান হিসেবে চিহ্নিত করে।আমি হাঁটতে লাগলাম, এদিক ওদিক তাকালাম, কোন গাড়ি পেলাম না। ভেবেছিলাম চলে যাব কিন্তু তার সাথে চারজন মহিলা ছিল। হাঁটতে হাঁটতে পা কামড়াচ্ছে। গাড়ি নেওয়ার অজুহাত জুড়ে বসলাম। কি আর করা, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম, পেছন থেকে একটা তিন চাকার অটোরিকশা আসলো। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি রিকশার জন্য চারটি হলেও বাড়তি টাকা রোজগারের আশায় দ্বিগুণ যাত্রী নিয়ে যান চালকরা। যাই হোক, একটা গাড়ি ভাড়া করে আদিনা মুরারের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।

বন্ধুদের মুখ থেকে এর বিশেষত্ব সম্পর্কে

জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানকার বড় বিশেষত্ব হলো পাহাড়ের সমতলতা, যেখান থেকে নিচের ও চারপাশের প্রকৃতি দেখতে খুবই সুন্দর। একদিন ক্লাসে স্যার আমাকে এই জায়গাটার কথা বললেন, তাই আমি জায়গাটা দেখতে খুব আগ্রহী হয়েছিলাম। আজ আমি খুব খুশি যে এটা বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছে.প্রায় ২০ মিনিট অটোরিকশায় ভ্রমণ করার পর আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌছালাম। রিকশা থেকে নামার সাথে সাথেই দেখলাম ইট দিয়ে খোদাই করা আদিনা মুড়া নামের বিশাল গেট। গেট পর্যন্ত ৪৮ টি ছোট ধাপ। আমরা উপরে উঠতে শুরু করলাম। ক্লান্ত, মনে হচ্ছে, বিশাল চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় উঠছি।প্রকৃতি প্রেমী অনন্যা রব রিপা জানান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আদিনা মুড়া অন্যতম দর্শনীয় স্থান। পাহাড়ের গায়ে সমতল ভূমি, ছোট ছোট গ্রামগুলো দেখতে মানুষের বসতির মতো এবং চারপাশে রয়েছে জানা-অজানা হাজারো প্রজাতির উদ্ভিদ ও সবজির চাষ।

এখানে গিয়ে দেখলাম সৃষ্টিকর্তার অপরূপ

সৌন্দর্য।পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচের দিকে তাকালে মনে হয় একটি গাছ অন্য গাছের সাথে ভালোবাসার আলিঙ্গনে নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছে। সমাজ থেকে যদি হিংসা, বিদ্বেষ, লোভ, মারামারি, ঝগড়া ইত্যাদি দূর করে ভালোবাসার আলিঙ্গনে আলিঙ্গন করা যেত, তাহলে সমাজ প্রকৃতির মতো বিশুদ্ধ অক্সিজেনে ভরে উঠত।লেকে প্রবেশ করলে চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে অজান্তেই হারিয়ে যাবেন অন্য এক জগতে। আপনি যত গভীর লেকের মধ্যে যাবেন, ততই মুগ্ধ হবেন। সবুজ আর পাখির কিচিরমিচির আপনাকে দেবে সবচেয়ে শান্তি।আপনি যদি কায়াকিংয়ে যাওয়ার ভাগ্যবান হন তবে আপনি রাজহাঁস এবং রাজহাঁস সহ বিভিন্ন প্রজাতির জলজ প্রাণীর সাথে দেখা করবেন। বড় মাছও দেখা যায়। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই লেকের স্ফটিক স্বচ্ছ পানি মুহূর্তেই যে কাউকে আকৃষ্ট করবে।

বার্লিন প্রাচীর ভেঙে গেছে

বার্লিন প্রাচীর ভেঙে গেছে

বার্লিন প্রাচীর ভেঙে গেছে, আমার জার্মানিতে যাত্রা শুরু হয়েছিল জীবনের অনেক ‘প্রথম’ দিয়ে।

ভিসার জন্য সাক্ষাত্কার নেওয়ার জন্য একটি দেশের দূতাবাসে যাওয়ার প্রথম একজন।ঢাকায় জার্মান দূতাবাসে

ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য দুটি কক্ষ রয়েছে। এক রুমে একজন বাংলাদেশী

ভদ্রলোক ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, আরেক রুমে একজন জার্মান মহিলা। আমার কল এসেছিল এক জার্মান মহিলার

ঘর থেকে। আমি তার ঘরে ঢুকলাম। সে আমার পাসপোর্টের দিকে বিচক্ষণতার সাথে তাকাল।

একের পর এক পাসপোর্টের পাতা উল্টালেন। এর আগে পাসপোর্টের কোনো পেজে ভ্রমণের কোনো সিল নেই।

দেখে মনে হল আমি হতাশ হয়ে গেছি।আমি সবকিছু সম্পর্কে আরো এবং আরো উত্তেজিত. রবীন্দ্রনাথ

যেমন তাঁর ‘জীবন স্মৃতি’ গ্রন্থে তাঁর পিতার সঙ্গে হিমালয় ভ্রমণের গল্প লিখেছেন।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

বার্লিন প্রাচীর ভেঙে গেছে

তিনি লিখেছেন, ‘বাবা জিজ্ঞেস করলেন, আমি কি তাকে নিয়ে হিমালয়ে যেতে চাই? আমি যদি শুধু চিৎকার করতে পারি “আমি চাই”, এটা আমার মনের মধ্যে একটি উপযুক্ত উত্তর হবে। ‘তুরস্কের ফ্লাইট। প্রথমে ঢাকা থেকে পাকিস্তান হয়ে ইস্তাম্বুল, তারপর সেখান থেকে বার্লিন। জীবনের প্রথম প্লেনে উঠুন, প্রথম প্লেনের খাবার খান, প্রথমে বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে আকাশে উঠুন! বিমানের খাবার সম্পর্কে কিছু মানুষ ভুল তথ্য দিয়েছেন। অন্যদের মুখে শোনা অভিজ্ঞতার সাথে আমি কোন মিল খুঁজে পাচ্ছি না। আরে, খাবারটা সুস্বাদু। একেবারে উচ্চতর! বাহ, রবি ঠাকুর এবং আমার মধ্যে অনেক মিল আছে! রবি ঠাকুর শৈশবে পিতার সাথে ভ্রমণ করবেন। যাত্রার এক পর্যায়ে তাকে ট্রেনে উঠতে হয়। বড় ভাই সত্য তাকে বুঝিয়ে বললেন, ‘বিশেষ দক্ষতা ছাড়া ট্রেনে ওঠাটা একটা ভয়াবহ সংকট। একবার পা পিছলে গেলে আর রক্ষা নেই।

তারপর গাড়ি চলতে শুরু করলে আমি

আমার শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে বসতে চাই, পাছে আমাকে এত জোরে আঘাত করে যে লোকটি কোথায় পড়েছিল তার ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছি না। স্টেশনে পৌঁছে রবীন্দ্রনাথ একটু ভয় পেলেন। কিন্তু তিনি এত সহজে ট্রেনে উঠলেন যে তিনি সন্দেহ করলেন যে ট্রেনে ওঠার আসল অংশটি এখনও বাকি ছিল। তারপর খুব সহজে ট্রেন চলে গেলে, কোথাও বিপদের আভাস না পাওয়ায় রবি ঠাকুরের মন খারাপ হয়ে গেল।কংক্রিটের শহর বার্লিনে যখন নামলাম, তখন বিকেল। টেগেল এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে রাস্তায় এসে দাঁড়াল। বেশ শীত. তুষারময় শীত। আমি এমন আবহাওয়ার সাথে পরিচিত নই। একটা ট্যাক্সি ক্যাব কিনলাম। গাড়ি চলছে। দুপাশে পাতাহীন গাছ। রাস্তার দুই পাশে বরফে ঢাকা। মনে পড়ে মান্নার সেই বিখ্যাত গান, ‘…তুমি থেকো শেষ পাতায়।’না, প্রকৃতি তা বলে নি। গাছের ডালে পাতা নেই! বার্লিনের হোটেলটির নাম মোটেল ওয়ান।

মোটেল ওয়ান একটি তিন তারকা হোটেল

হোটেলের প্রায় সব আসবাবপত্র, প্রবেশপথ এবং দেয়াল ফিরোজা রঙে আঁকা। শরীর এতটাই ক্লান্ত যে শরীর বা মন কেউই নীল রঙের গভীরতা সহ্য করতে পারে না। না, বাংলাদেশের মতো কোনো হোটেলকর্মী এগিয়ে আসেনি। নিজের লাগেজ নিয়ে রুমে পৌঁছে গেলাম। আমি স্নান করে ঘুমিয়ে নিলাম। ইউরোপে পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠলাম।দুপুর পর্যন্ত অবসর। দুপুরের পর থেকে শুরু হবে পেশাগত দায়িত্ব। সকালের নাস্তা করে রওনা দিলাম। কাছাকাছি ঐতিহাসিক ব্র্যান্ডেনবার্গ গেট। হোটেল থেকে গন্তব্যে যাওয়া যেতে পারে হাঁটার পথ। হোটেল ছেড়ে সামনের দিকে গিয়ে বাঁ দিকে হাঁটলাম। ‘বার্লিন অ্যাট্রাকশন’ লিখে গুগলে সার্চ করলে ইন্টারনেট যে প্রথম আকর্ষণ দেখায় তা হল ব্র্যান্ডেনবার্গ গেট। আমরা প্রায় ১৫ মিনিট হেঁটে ব্র্যান্ডেনবার্গ গেটের সামনে থামলাম।

 

 

মালকা বানুর দেশে বিভাগীয় খবর

মালকা বানুর দেশে বিভাগীয় খবর

মালকা বানুর দেশে বিভাগীয় খবর, চট্টগ্রামের ইতিহাস এবং দেওয়াং পরগণার ইতিহাস অনুসারে শেরমস্ত খান

ছিলেন বাংলার সুবাদার মুঘল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় পুত্র শাহ সুজার (প্রিন্স সুজা) সেনাপতি।

আর শেরমস্ত খানের একমাত্র ছেলে জবরদস্ত খান ওরফে মনু মিয়া। মনু মিয়া প্রথমে কাট্টলীর

জমিদার দেওয়ান বদিউজ্জামানের বোন খোরসা বানুকে বিয়ে করেন।খোরসা বানুর কোন সন্তান না থাকায়

তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সরল গ্রামের বণিক মেয়ে মালকা বানুর সাথে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। মালকা-মানুর

প্রেমের গল্প মালকা বানুকে দেখা এবং পরে তাকে বিয়ে করার উপর ভিত্তি করে।ইতিহাসের বই থেকে

জানা যায়, মনু মিয়া একদিন পাইক-পথচারী নিয়ে জমিদারি দেখতে বাঁশখালীর সরল গ্রামে গিয়েছিলেন।

সেখানে বণিক বাড়িতে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

মালকা বানুর দেশে বিভাগীয় খবর

এ সময় মনু মিয়া এক ব্যবসায়ীর মেয়ে মালকা বানুকে দেখতে পান।মালকা তখন কাজী মক্তবে অধ্যয়নরত। এরপর মনু মিয়া কাজীর কাছ থেকে মালকা বানু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পান। কাজির মক্তবে, মনু আবার মালকাকে কাছে থেকে দেখেছিল। তখন মনুর খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। মনুর মনে শুধু মালকা। মনুর মালকা চায়।এরপর থেকে মনু মালকা বানুর বাড়িতে ছুটতেন। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে মালকা-মানুর প্রেমের গল্প। একজন আরেকজনকে ছাড়া বাঁচতে পারে না। একদিন মনু মক্তব কাজীর মাধ্যমে মালক বানুর বাবার কাছে সওদাগরের বাড়িতে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেয়। মালকারের বাবাও মনুর প্রস্তাবে খুশি হলেন।কিন্তু মালকা নিচু হয়ে গেল। তিনি বাজি ধরে নৌকায় নদী পার হতে ভয় পান।

তাই রাস্তা ধরতে হবে একথা শুনে

মনু দেরি না করে নদীর উপর বাঁধ দিয়ে রাস্তা তৈরি করে মালকা আনার সিদ্ধান্ত নেন। মনুশঙ্খ নদী বাঁধের জন্য প্রস্তুত হন এবং নদী বাঁধের জন্য হাজার হাজার শ্রমিক নিয়োগ করেন। বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ হলে শুরু হয় বিয়ের আয়োজন। মালকা এলো মনুর বাড়িতে। মালকা-মানুর এই প্রেম ও বিয়ের গল্প অবলম্বনে রচিত লোকগান এখনো গ্রামবাংলার মানুষের কাছে জনপ্রিয়।ইতিহাসে মনু মিয়ার পিতা জেনারেল শেরমস্ত খান ছিলেন এক হাজার সৈন্যের সেনাপতি। হাজারী ফোর্ট বা হাজারীহাটের নামকরণ করা হয়েছে বটতলী গ্রামের লস্কর ভিটা এবং উজির ভিটাকে কেন্দ্র করে তাদের বাড়ির বাম এবং ডান পাশে এবং হাজার হাজার সৈন্যের দুর্গ কারণ তারা বিশাল মুঘল আমলের কামান, প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র, ঘোড়া এবং হাতির নিয়ন্ত্রণে ছিল।

যুদ্ধক্ষেত্রে ১৯৬০ সালে মনু

মিয়ার বাড়ির পশ্চিম দিক থেকে প্রায় ২৬ পাউন্ড ওজনের একটি মুঘল আমলের কামান উদ্ধারের পর, শাহ সুজার সেনাপতি শেরমস্ত খান তৎকালীন অবস্থান নিশ্চিত করেন। কামানটি বর্তমানে চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে।এমনকি মালকা বানুর গর্ভে মনু মিয়ার গর্ভে কোনো সন্তান জন্ম নেয়নি। নিঃসন্তান মনু মিয়ার মৃত্যুর পর তাকে পাশের কাজীর পাহাড় এলাকায় সমাহিত করা হয়। মনুর মৃত্যুর পর তার প্রথম স্ত্রী খোরসা বানু স্বামীর বাড়িতে থাকলেও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মালকা বানু বাঁশখালীর সরল গ্রামে বাবার বাড়িতে চলে আসেন।মনু মিয়ার কোনো উত্তরাধিকার না থাকলেও মনু মিয়ার মসজিদ, কবরস্থান ও বিস্তীর্ণ দীঘি ইতিহাসের কথা বলে।‘মালকা বানুর দেশে রে, বিয়ের বাদ্য আলা বাজে রে/ মালকার বিয়া হইলো মনু মিয়ার সাথে রে’ গানটি শোনেননি এমন মানুষ বিরল।

৮৭ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর লাভ

৮৭ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর লাভ

৮৭ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর লাভ, মাথার চুল ইতিমধ্যে সাদা হয়ে গেছে। দু-একজন জীবনের আট দশক

পার করেছেন। কিন্তু পড়াশোনার স্বপ্ন এখনো শেষ হয়নি। বই নিয়ে বসে আছে। পরীক্ষা দিয়েছেন।

মাত্র ৬ বছর বয়সে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন! এত কম বয়সে ডিগ্রী পেয়ে বেশ হৈচৈ

করেছেন।বলা হচ্ছে, ভারাথা শানমুগানাথন সম্পর্কে। সোমবার সিএনএন জানিয়েছে, ভারাথার বাড়ি

শ্রীলঙ্কায়। দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি অভিবাসী হিসেবে কানাডায় বসবাস করছেন।

ভারাথা এই মাসের শুরুতে দেশটির ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র

গ্লোরিয়া সুহাসিনি বলেছেন, তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়া সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী এখন শ্রীলঙ্কার ভরথ।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

৮৭ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর লাভ

তবে এটিই প্রথম নয়, এই নারী আরেকটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। ভরত নব্বইয়ের দশকে যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত ভাষাবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি ভারতের মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। ভারাথারের শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় ইতিহাস ও ইংরেজি এবং লন্ডনে ইংরেজির শিক্ষক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এখন কানাডায় একজন বয়স্ক মহিলা, তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। বিষয় হল ‘শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধ এবং শান্তি অর্জনের প্রক্রিয়া’।ভারাথা ২০০৪ সালে তার মেয়ের সাথে কানাডায় চলে আসেন। তার মেয়েও ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছে। কানাডায় আসার আগে ভরত এবং তার পরিবারকে তাদের দেশে কয়েক দশকের তামিল-সিংহলি গৃহযুদ্ধের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

গৃহযুদ্ধের এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতাই তাকে

গৃহযুদ্ধ ও শান্তি প্রক্রিয়ায় উচ্চতর পড়াশোনা করতে অনুপ্রাণিত করেছিল। এখন তিনি এই জ্ঞান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে চান।”এটি সত্যিই মজার,” ভারাথা শানমুগানাথন সিএনএনকে বলেছেন। রাজনীতি নিয়ে পড়ার ইচ্ছা আমার দীর্ঘদিনের। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছি। “‘মানুষের জীবনে তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, উদার হও; দ্বিতীয়ত, উদার হও এবং তৃতীয়, উদার হও। ‘পৃথিবীর মানুষ দিন দিন অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে! দয়া, উদারতা, ক্ষমা, করুণা, পরোপকার—এগুলো আজকাল সোনার বাটির মতো। এসব গুণের অভাবে মানুষ এখন অনেক নিঃসঙ্গ। না, ব্যাপারটা মোটেও তা মনে হয় না। এই মহামারীতে আমরা দেখেছি মানুষের প্রতি মানুষের সহানুভূতি। সমাজের দরিদ্রদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। তবে, তুলনামূলকভাবে বলতে গেলে, মানুষের পক্ষে অসহিষ্ণু হওয়া সম্ভব।

ধর্মীয় দাঙ্গা বা জাতিগত হত্যাকাণ্ড ছাড়াও

চিরস্থায়ী শ্রেণী সংঘাত রয়েছে। সারা বিশ্বে না বললেই নয়, আমাদের দেশের মানুষের উদার হৃদয়ের যে সুনাম, তা কি এখনো আছে! আমাদের সাম্প্রতিক অসহিষ্ণুতার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত দুঃখজনক।মুঘল আমলের মসজিদটি সামনের দিকে কিছুটা বাড়ানো হলেও মূল অবকাঠামো অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে। ২০ এবং ৪০ ফুট পরিমাপের মসজিদের দেয়ালের ভিতরে এবং বাইরে সুন্দর খোদাই এবং গম্বুজ দেখা যায়। মসজিদের প্রবেশপথে একটি ফলকে লেখা আছে, ‘এই মসজিদটি মুঘল আমলের শেষ দিকে জমিদার জবরদস্ত খান (মনু মিয়া) নির্মাণ করেছিলেন। তিনি তার প্রথম স্ত্রী খোরসা বানুর নামে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। তার অপর স্ত্রী ছিলেন বাঁশখালীর সরল গ্রামের বিখ্যাত মালকা বানু। মসজিদটি নির্মাণের পর থেকে সংস্কার করা হয়নি। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ১৪১৬ এবং ২০১০ সালে মসজিদটির সৌন্দর্য রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্য টাইলস যুক্ত করে।

শি জিনপিং কেন নিজের উপর দেবত্ব আরোপ করছেন

শি জিনপিং কেন নিজের উপর দেবত্ব আরোপ করছেন

শি জিনপিং কেন নিজের উপর দেবত্ব আরোপ করছেন, চীনের শীর্ষ নেতা শি জিনপিং তার রাজনৈতিক প্রোফাইল

বাড়াতে বছরের পর বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। চলতি সপ্তাহে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির

৩৬ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির ষষ্ঠ অধিবেশনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। আশা করা হচ্ছে এই

অধিবেশনটি শি জিনপিংয়ের পাস দেখতে পাবে। তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের দুই ঐতিহাসিক নেতা

মাও সেতুং এবং দেং জিয়াং পিংয়ের মতোই মর্যাদা পাবেন।২০১২ সালে, শি জিনপিং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি

এবং সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ নেতা মনোনীত হন। নিঃসন্দেহে একজন নেতা হিসেবে তার সাফল্য তাকে এই নতুন

স্বীকৃতির সামনে রেখেছে। আমার গভীরতম মূল্যায়ন হল যে রাষ্ট্রপতি সি দ্বারা ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ

উত্তরাধিকার সমস্যা সমাধানের একটি প্রচেষ্টা নয়।চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের মধ্যে

রয়েছেন পার্টি ও রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতা, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সিইওরা।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

শি জিনপিং কেন নিজের উপর দেবত্ব আরোপ করছেন

ষষ্ঠ অধিবেশনে, সদস্যরা মূল্যায়ন করবেন এবং গত অক্টোবরে পলিটব্যুরোর সদস্যদের দ্বারা গৃহীত প্রস্তাবগুলি গ্রহণ করবেন। এবারের প্রস্তাবে আগের অধিবেশনের ধারাবাহিকতা থাকবে। এর বিষয়বস্তু পার্টির ইতিহাস এবং ১৯৪৫ এবং ১৯৭১ সালে অনুষ্ঠিত দুটি অধিবেশনে গৃহীত প্রস্তাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।১৯৪৫ সালের অধিবেশনে গৃহীত প্রস্তাবটি পার্টি-লাইন ছিল, মাও সেতুং এটিকে “বাম সুবিধাবাদ” বলে অভিহিত করেছিলেন। ১৯৬১ সালের অধিবেশনে গৃহীত প্রস্তাবটি চীনের ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের পর্যালোচনা এবং মাও সেতুং এর সূচনা করতে গিয়ে যে ভুলগুলো করেছিলেন।২০২১ সালের অধিবেশনে যে রেজুলেশন গৃহীত হবে তা বিভিন্ন কারণে আগের দুটি অধিবেশনের রেজুলেশনের ধরন থেকে আলাদা হবে। অতীতে দলের ভুলগুলোকে ঘিরে না ঘুরে এবার শতবর্ষ উদযাপন করবে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি।

এই অধিবেশনে স্যার অত্যন্ত প্রশংসিত

হবেন। কেন তিনি চীনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সঠিক নেতা তা ব্যাখ্যা করা হবে। স্পষ্টতই, এটাই এই অধিবেশনের মূল উদ্দেশ্য। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে শি জিনপিং পাঁচ বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো চীনের শীর্ষ নেতা নির্বাচিত হবেন। এই মেয়াদটি ২০২৫ সালের বসন্তে দলের ২০ তম কংগ্রেসের সাথে শুরু হবে।শি জিনপিংয়ের গৌরবময় উপস্থিতি সত্ত্বেও, চীনের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে তার কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ। প্রথমত, উইলিয়াম ওভারহলের মতো বিশ্লেষকরা মনে করেন যে স্যারের ক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টা শীর্ষ নেতা হিসেবে তার আধিপত্যের নড়বড়ে প্রকৃতির প্রতিফলন। প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি অনেক কাইমি গ্রুপের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। ফলে তিনি অনেক প্রতিপক্ষ ও শত্রু তৈরি করেছেন।স্যারের নিজের উপর দেবত্ব আরোপ করার প্রচেষ্টা শুধু তার অহং বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়।

তিনি যখন ক্ষমতায় থাকেন না তখন

তার অনুসারীদের রক্ষা করার জন্য তার নীতি ও উদ্দেশ্য থাকে।দ্বিতীয়ত, স্যারের চরিত্রের আধিপত্য চীনের সামর্থ্যের সম্পূর্ণ বিকাশের জন্য তার প্রচেষ্টার বহিঃপ্রকাশ। সে লক্ষ্যে শহরের বড় বড় কারখানায় কৃষি থেকে বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। চীনের উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার জন্য এখন নতুন উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে হবে। শির নেতৃত্বে, চীনা সরকার নতুন উদ্যোগগুলিকে বিকাশে বাধা দিতে কাজ করেছে। সরকারের অপপ্রচার পড়ে কর্মক্ষম জনবল নষ্ট হয়েছে। আবার বেসরকারি খাতকে অনুদান দিতে বাধ্য করেছে।সি মতাদর্শগত বিশুদ্ধতার উপর জোর দিয়ে একাডেমিয়ায় এবং মিডিয়াতে দলীয় লাইনের বাইরে যে কোনও মতামতকে দমন করেছেন। অর্থনীতিকে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার আওতায় এনে সম্পদের অপচয় বাড়িয়েছেন তিনি। তবে সম্পদ বণ্টনে বাজারের ভূমিকা গড়ে তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দলটিকে। কিন্তু তিনি বেসরকারি খাতের ওপর সরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছেন।

মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি

মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি

মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি, মিয়ানমারে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে বলে সতর্ক

করেছেন জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক প্রধান মার্টিন গ্রিফিথস। গ্রিফিথস সোমবার সতর্ক করেছেন

যে মিয়ানমারের ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং ক্ষয়িষ্ণু অর্থনীতির কারণে ৩ মিলিয়ন মানুষের জীবন রক্ষাকারী

সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সোমবার মিয়ানমারের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে

বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বৈঠকটি মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির পুনর্নির্বাচনের

প্রথম বার্ষিকীর সাথে মিলে যাচ্ছে। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল

করে জান্তা। এনএলডি নেত্রী সু চি সহ মিয়ানমারের প্রভাবশালী গণতন্ত্রপন্থী নেতাদের আটক করা হয়েছে।

মিয়ানমারে গত বছরের নির্বাচনের বিষয়ে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, স্থানীয় ও

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু বলে মনে করেছেন।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি

জাতিসংঘ জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান করতে এবং দেশকে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছে।যুক্তরাজ্য অনুরোধ করেছে যে ইরানে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার চলমান পরিদর্শন ছাড়াও, এটি ইরানের “আইএইএ বোর্ডের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি” মেনে চলছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করে। যুক্তরাজ্য মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জান্তা বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। কারিউকি ঘটনাটিকে চার বছর আগে রোহিঙ্গাদের ওপর প্রাক-রাখাইন নৃশংসতার প্রতিফলন বলে বর্ণনা করেছেন।রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়নের জন্য ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগের মুখোমুখি হচ্ছে মিয়ানমার। গ্রিফিথস এক বিবৃতিতে বলেছেন যে উত্তর-পশ্চিম মায়ানমারের পরিস্থিতি “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” হয়ে উঠেছে কারণ চীনের রাজ্যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং চীনা প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে লড়াই বেড়েছে।

ম্যাগওয়ে ও সাগাইন এলাকায়ও জান্তা

ও পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের মধ্যে সংঘর্ষ বেড়েছে। ফলে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ৩৬ হাজার মানুষ। ১৬০ টিরও বেশি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এটি গির্জা এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলির অফিসগুলিও অন্তর্ভুক্ত করে৷গ্রিফিথ বলেন, মানবাধিকার কর্মী ও সংস্থার পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর ওপর হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে নিষিদ্ধ। এ ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে।আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে মানবজাতির মুক্তি ও পরকালে মুক্তির জন্য শত শত পুস্তিকা ও চারটি কিতাব নাজিল করেছেন। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ঐশী গ্রন্থ পবিত্র কোরআন।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আল্লাহর বাণী প্রচার ও প্রতিষ্ঠার জন্য অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব শেষ নবী ও রাসূল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে ইসলামের ঐশী বিধান বাস্তবায়নের জন্য পাঠিয়েছিলেন।জাহেলিয়াত ও অন্ধকারের যুগে প্রিয় নবী (সা.) আরবের মক্কায় আগমন করেন।

তখন আরব ও মক্কা ছিল অন্যায় অত্যাচার

নিপীড়ন, অত্যাচার ও অপরাধ-নৈরাজ্যের স্বর্গরাজ্য। বাজারে মানুষ বিক্রি হতো। নারীকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হতো না।শিশুদের জীবন্ত কবর দেওয়া হয়। ধর্মের নামে পাপাচার চলত। অশ্লীলতা চরম রূপ নিয়েছে। নারী-পুরুষ উলঙ্গ হয়ে কাবা প্রদক্ষিণ করতেন। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে যুদ্ধ চলতে থাকে। মানুষ মানুষের রক্ত ​​পান করেছে, হত্যা করেছে এবং লিভার চিবিয়েছে।অশান্তির আগুনে পুড়তে থাকা নারকীয় স্থানে শান্তি প্রতিষ্ঠার মিশন নিয়ে এসেছিলেন নবী মুহাম্মদ (সা.)। তিনি ঐক্য, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, সামাজিক শৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের আহ্বান জানান। কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে তা সম্ভব হয়নি। শান্তির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ ও পরম সহনশীলতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি তাঁর জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করেন এবং আল্লাহর নির্দেশে মদিনায় হিজরত করেন।মদিনার আশেপাশে মুসলিম, ইহুদি, খ্রিস্টান এবং পৌত্তলিকসহ বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণ ও সংস্কৃতির লোকদের নিয়ে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা; যা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মানবিক।

 

রাখাইনে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ

রাখাইনে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ

রাখাইনে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ, মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো

রাখাইন রাজ্যে বিদ্রোহীদের সঙ্গে জান্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে। বুধবার বিদ্রোহীদের একজন মুখপাত্র

বলেছেন যে দেশের বিভিন্ন স্থানে জান্তা সরকারী বাহিনী এবং বিদ্রোহী বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর রাখাইনে

সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের তথ্য জানা যায়নি। জাতিসংঘের নিরাপত্তা

পরিষদ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেগত ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে সামরিক

অভ্যুত্থান দেশটিকে অস্থিতিশীল করে তোলে। গণতন্ত্রীরা সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেয়।

তারা ‘সেলফ ডিফেন্স ফোর্স’ নামে একটি প্রতিরোধ বাহিনী গঠন করেছে। তাদের মোকাবেলায়

জান্তা সরকার নৃশংসতা শুরু করেছে। সংখ্যালঘু এবং বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী তখন থেকেই মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর

সঙ্গে লড়াই করে আসছে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

রাখাইনে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ

তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জান্তা সরকারও নৃশংসতার পথ বেছে নিয়েছে।অভ্যুত্থানের পর, জান্তা সরকার রাখাইন বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সাথে যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। রাখাইনে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আরাকান আর্মি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। তবে রাখাইনে আত্মরক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করলে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হয়।মিয়ানমারে ক্রমবর্ধমান সংঘাতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতি জারি করেছে। একটি বিবৃতিতে, তারা অবিলম্বে সংঘাত বন্ধ করার এবং বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি না করা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।আরাকান আর্মির একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেছেন যে বুধবার সকাল ১১টার দিকে রাখাইনের মংডুতে দুই পক্ষের (সেনা ও আরাকান আর্মি) মধ্যে কয়েক মিনিট ধরে লড়াই চলছিল। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা ওই এলাকায় প্রবেশ করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।

তবে হতাহতদের বিস্তারিত কিছু জানা

যায়নি।মায়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ। এটি বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ। সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বেসামরিক মানুষ। সংঘাতের কারণে ২০১৯ সালে রাখাইন জুড়ে ২০০,০০০ এরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। কয়েক দশক ধরে রাজ্যে অশান্তি চলছে। ২০১৬ সালে, রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে একটি সেনা অভিযান শুরু হয়েছিল। জীবন বাঁচাতে ৬ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। অনেককে হত্যা করা হয়েছে। জাতিসংঘের তদন্তকারীরা রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়নকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন।এরই মধ্যে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান দেশটিতে অস্থিতিশীলতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

একই সঙ্গে মিয়ানমার জুড়ে জান্তার

বিরুদ্ধে সামরিক বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রতিরোধ তীব্র হয়েছে।তারা সম্প্রতি মান্দালয়, ইয়াঙ্গুন, সেগাং এবং মাগুই সহ মায়ানমারের বিভিন্ন শহরে এবং কায়া ও শান রাজ্যে জান্তা বাহিনীর সাথে ভয়ানক যুদ্ধ করেছে। এতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে।এদিকে মিয়ানমারে ক্রমবর্ধমান সংঘাতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতি জারি করেছে। একটি বিবৃতিতে, তারা অবিলম্বে সংঘাত বন্ধ করার এবং বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি না করা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।সম্মেলনের শেষ দিনে আদিবাসী, কৃষক, শ্রমিক, যুবক ও মহিলাদের বিভিন্ন অধিকার গোষ্ঠীর সম্মেলন কেন্দ্রের প্রতিবাদ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ তাদের কথা শোনা যায়নি। কর্মকর্তারা পর্দার আড়ালে দর কষাকষি করেছেন এবং এটি একটি নব্য-ঔপনিবেশিক কৌশল, যাতে বড় পুঁজির প্রভাব স্পষ্ট হয়। তারা জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে স্লোগান দেয় এবং রক্তের প্রতীক হিসাবে বেড়ার সাথে লাল ফিতা বেঁধে।

আহ্বান ও অনুরোধের খসড়া ঘোষণায় অনিশ্চয়তা

আহ্বান ও অনুরোধের খসড়া ঘোষণায় অনিশ্চয়তা

আহ্বান ও অনুরোধের খসড়া ঘোষণায় অনিশ্চয়তা, গ্লাসগো জলবায়ু সম্মেলন কোপ ২৬ ঘোষণার দ্বিতীয়

খসড়াটি জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় জরুরী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অসন্তুষ্ট যুবক এবং উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ

দেশগুলির আহ্বান সত্ত্বেও একটি শিথিল সমঝোতা হতে পারে। তবে দিন শেষে শুক্রবার সকালে

প্রকাশিত খসড়ায় সব দেশ একমত হয়নি।যদিও উন্নয়নশীল দেশগুলির সাহায্যের জন্য তহবিল বাধাগ্রস্ত হয়েছে,

জীবাশ্ম জ্বালানি শেষ করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কিনা তা

নিয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। কিছু নাগরিক দলের প্রতিনিধিরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে স্লোগান দিয়ে সম্মেলন

কেন্দ্র থেকে বের হয়েছিলেন।সম্মেলনের শুরুতেই বারবার বলা হয়েছিল যে, বৈশ্বিক উষ্ণতার হার

দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখতে না পারলে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

আহ্বান ও অনুরোধের খসড়া ঘোষণায় অনিশ্চয়তা

কিন্তু দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াস লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে ক্ষতিকারক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ বর্তমান মাত্রা থেকে ৪৫ শতাংশ কমানো প্রয়োজন। কাপে জাতিসংঘের জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের দ্বারা উত্থাপিত হিসাবে এই চিত্রটি উঠে এসেছে।এনডিসি সিন্থেসিস রিপোর্ট অনুযায়ী, জলবায়ু সংকট মোকাবেলার জন্য একটি জাতীয় পরিকল্পনা যা গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়েছে, গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০৩০ সালের মধ্যে ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এতে উষ্ণায়নের হার এবং লক্ষ্যমাত্রার পার্থক্য বৃদ্ধি পাবে।ক্ষতিকারক গ্যাসের নির্গমন ২০৩০ সালে ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এতে বিশ্ব উষ্ণায়নের হার এবং লক্ষ্যমাত্রার পার্থক্য বৃদ্ধি পাবে।সম্ভবত একটি ফ্যাক্টর কেন তারা এত খারাপ করছে: জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের লক্ষ্য এখন লাইফ সাপোর্টে। তবে আপসারফার সর্বশেষ খসড়া গৃহীত হলে দেশগুলোর ওপর গ্যাস নিঃসরণ কমাতে বৃহত্তর পরিসরে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাপ বাড়বে।

এটি দুটি উপায়ে বাড়বে প্রতি পাঁচ বছরে

একটি জাতীয় পরিকল্পনা বা এনডিসি দেওয়ার পরিবর্তে প্রতি বছর প্রতিশ্রুতি আপডেট করতে হবে। প্রতিশ্রুতি পূরণে কী করা হয়েছে তার বিস্তারিতও প্রকাশ করতে হবে।ক্ষতিকারক গ্যাস নির্গমন কমাতে বিভিন্ন ব্যবস্থা ঝুঁকি প্রশমনের অংশ। নবায়নযোগ্য শক্তির প্রশমনে সহায়তা এবং নতুন প্রযুক্তি অর্জন ধনী দেশগুলির জন্য একটি অগ্রাধিকার। উন্নয়নশীল দেশগুলিকে আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে, তাই, প্রশমনের প্রশ্নটি সামনে এসেছে, যা ছিল প্রায় ৭৫ শতাংশ। স্পষ্টতই, জলবায়ু পরিবর্তনের সুরক্ষাবাদী নীতির প্রতি শিল্পোন্নত দেশগুলির প্রতিশ্রুতি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ঘোষণার নতুন খসড়া অনুমোদিত হলে অভিযোজনে সহায়তা দ্বিগুণ করা হবে।অভিযোজনে সহায়তার পরিমাণ দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও, দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন এবং অতীতের অপূর্ণ প্রতিশ্রুতিতে সামান্য অগ্রগতি হয়েছে। ১ ট্রিলিয়ন বার্ষিক প্রতিশ্রুতি মেনে শিল্পোন্নত দেশগুলি এখনও তাদের কোষাগারের অর্থ ছাড়তে প্রস্তুত নয়।

এই দেশগুলো অর্থায়নে বেসরকারি খাত

ও ব্যবসায়িক বিনিয়োগকারীদের জোরালো অংশগ্রহণ চায়। এই প্রক্রিয়াটি জটিল এবং সময়সাপেক্ষ। অপ্সরফার নথি চূড়ান্ত হলে প্রতিশ্রুত দশ ট্রিলিয়ন ডলারের বিষয়ে আগামী বছর আলোচনা চলবে।অভিযোজন ছাড়াও, বিতর্কের আরেকটি প্রধান বিষয় হল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গ্যাস নির্গমনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলিকে কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায়। অতীতে উন্নয়নশীল দেশগুলো অপূরণীয় ক্ষয়-ক্ষতির বিষয়ে ছাড় দিলেও এবার তা বেশ জোরালোভাবে উঠে এসেছে। ধনী দেশগুলোর আপত্তির কারণে বিষয়টি আবার বাদ পড়তে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। তবে নতুন খসড়া নিয়ে সমঝোতা হলে জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় আগামী বছর কাজ শুরু হবে।যদিও খসড়া ঘোষণায় বৈজ্ঞানিক গণনা এবং বৈজ্ঞানিক গণনা এবং ব্যাখ্যার প্রয়োজন যতটা প্রয়োজন ততটা কমানোর জন্য বলা হয়নি, অনেকে এটিকে আপস হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন।