প্রধান খবর

এক সময় হুমায়ূনের স্মৃতিতে

এক সময় হুমায়ূনের স্মৃতিতে

এক সময় হুমায়ূনের স্মৃতিতে, শব্দের জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ বৃষ্টির দিনে সবাইকে ছেড়ে আকাশে মেঘের

কাছে চলে গেছেন। শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে রাজধানী থেকে অদূরে গাজীপুরের প্রত্যন্ত এলাকা পিরুজালীতে

প্রিয় নুহাশপল্লীতে একটি মাটির বিছানায় শায়িত করা হয়।করোনার নিষেধাজ্ঞার আগেও আমার

প্রিয় লেখকের স্মৃতির পাতায় ফিরে আসার প্রবল ইচ্ছা ছিল। যেখানে পাখি, গাছ, ইট, পাথর আর টিনের

ঘ্রাণ জড়িয়ে আছে প্রতিটি স্থাপনার সঙ্গে। হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নুহাশপল্লী সেই ভাবনা

থেকেই ফিরে আসেন।পরিকল্পনা অনুযায়ী সকালে বাসে করে সাভার ছেড়েছি। যানজট, ধুলাবালি আর

উঁচু-নিচু রাস্তায় দুই ঘণ্টায় দুটি ভিন্ন যানবাহনের যাত্রা শেষে পৌঁছে গেলাম হোতাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে।

সেখান থেকে হুমায়ূন আহমেদের বাড়ির সামনে পিরুজালীর সিএনজি চালক জসিম উদ্দিনের গাড়িতে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

এক সময় হুমায়ূনের স্মৃতিতে

দুপুরে কাঠবিড়ালিটিকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে নামতে দেখা যায়। মনে হচ্ছিল সে আমার সাথে লুকোচুরি খেলছে। নুহাশপল্লীর প্রধান ফটক মাত্র কয়েক ধাপ দূরে। ২০০ টাকা দিয়ে টিকিট কিনে হুমায়ূনের স্মৃতিতে প্রবেশ করলাম।একটু এগোলেই মনে হয় হুমায়ূন আহমেদের একটি ম্যুরাল স্বাগত জানিয়ে বসে আছে। উল্টো দিকে এক মা ছোট্ট শিশুর হাত ধরে আছেন। সারাদিন সেই মা-ছেলেকে দেখতে কেমন লাগে হুমায়ূন! হুমায়ূনের নুহাশপল্লী যাত্রার কথা ভাবতে থাকে।পাকা সড়কে শ্যাওলার স্তর জমে আছে। চেয়ার-টেবিল বকুলতলায় বসে সেই পথে হাঁটছি। সাদা জায়গায় বসে সামনে দুজনের দেখা হলো। জীবিত নয়, পাথরের মূর্তির আকারে তার সামনে ফলের ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক কিশোরী। যেন ভোরের আগে নিজের হাতে নাস্তা আনছেন। পাশেই পিঠে শুয়ে আছে একটি শিশু। বইটা হাতে দিলেই সে আ আ আ আ বি বলতে শুরু করবে।

কিছুক্ষণ বসে থাকার পর হাঁটা শুরু

করবে। কয়েক কদম দূরে দুপাশে বড় বড় তালগাছ।কাছেই স্বপ্নের গাছে মোড়ানো ছোট্ট পথ। পথের শেষে ছোট মাছের পুকুর। পুকুর পাড়ে আরেকটা সাদা পরী দাঁড়িয়ে আছে। সে মাছ দেখছে!উল্টো দিকে বাঁদিকে একটা বড় কাঠের দাবার টুকরো। কিন্তু খেলার সময় কই!হাতে সময় খুব কম। পুরো যাত্রা দ্রুত শেষ করতে হবে, তাই এগিয়ে যান।দেখা হবে ‘বৃষ্টিবিলাসে’। কিছুক্ষণ হাঁটু গেড়ে বসে রইলাম। এই বাড়িতেই হুমায়ূনের সাহিত্য তৈরি হয়েছে! জীবনের অনেক রোদ-বৃষ্টি দেখেছি! বাড়ির সামনে বসা একজন কেয়ারটেকারকে জিজ্ঞেস করতেই তিনি বললেন, একটু এগোলেই রয়েছে ভেষজ বাগান, মারমেইড আর প্রিয় লীলাবতী দীঘি।ইট পাকা রাস্তায় ফিরে যাত্রা। বড় ক্যাকটাস কয়েক ধাপ দূরে। পাশে বসা শিশুর মূর্তি। অযত্নে হারিয়ে গেল কার হাত! তার পেছনে বড় পাহাড়!আমরা কাছে যেতেই একটি বিশাল দানব দেখতে পেলাম।

মারমেইডটি পাহাড়ের মতো দানবের

সামনে জলে বসে আছে। দুজন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে! আরেকটু এগোতেই দেখা গেল শিশু প্রেমিক হুমায়ুনকে। একটি বিশালাকার ডাইনোসর, একটি সাপ দর্শনার্থীদের স্বাগত জানায়! এই ডাইনোসরের পাশেই রয়েছে হুমায়ূন আহমেদের ঔষধি গাছের প্রিয় বাগান। বাগানের সামনে লেখকের আবক্ষ মূর্তি।তারপর মৃত নবজাতক কন্যার লীলাবতী নামের পুকুরে যাত্রা। হুমায়ূনের যত্নে লেকের পাড় জড়িয়ে আছে। দিঘীর পাড়ে ‘ভূত বিলাস’ নামে বাংলো। সেখানে দাঁড়িয়ে লেকের মাঝখানে একটি ছোট দ্বীপ দেখতে পাবেন। লেখকের বেঁচে থাকার জন্য এখানে সঙ্গীতের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দ্বীপের দিকে যাওয়া কাঠের পুলের কাঠামো নড়বড়ে। সেই পুল পেরিয়ে দ্বীপ যাত্রা। এই দ্বীপে বসে লেখক হুমায়ূন আহমেদ প্রচুর সাহিত্য রচনা করেছেন।দুপুর গড়িয়েছে, চারিদিকে নেমে এসেছে নিস্তব্ধ বিকেল। হিমুরার চারিদিকে হলুদাভ রঙ। সেই বিকেলে যদি হুমায়ূন আহমেদ হেরে যেতেন তাহলে কী ভাবতেন? তার লেখা গানটা মনে পড়ে।

৮৭ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর লাভ

৮৭ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর লাভ

৮৭ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর লাভ, মাথার চুল ইতিমধ্যে সাদা হয়ে গেছে। দু-একজন জীবনের আট দশক

পার করেছেন। কিন্তু পড়াশোনার স্বপ্ন এখনো শেষ হয়নি। বই নিয়ে বসে আছে। পরীক্ষা দিয়েছেন।

মাত্র ৬ বছর বয়সে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন! এত কম বয়সে ডিগ্রী পেয়ে বেশ হৈচৈ

করেছেন।বলা হচ্ছে, ভারাথা শানমুগানাথন সম্পর্কে। সোমবার সিএনএন জানিয়েছে, ভারাথার বাড়ি

শ্রীলঙ্কায়। দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি অভিবাসী হিসেবে কানাডায় বসবাস করছেন।

ভারাথা এই মাসের শুরুতে দেশটির ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র

গ্লোরিয়া সুহাসিনি বলেছেন, তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়া সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী এখন শ্রীলঙ্কার ভরথ।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

৮৭ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর লাভ

তবে এটিই প্রথম নয়, এই নারী আরেকটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। ভরত নব্বইয়ের দশকে যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত ভাষাবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি ভারতের মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। ভারাথারের শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় ইতিহাস ও ইংরেজি এবং লন্ডনে ইংরেজির শিক্ষক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এখন কানাডায় একজন বয়স্ক মহিলা, তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। বিষয় হল ‘শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধ এবং শান্তি অর্জনের প্রক্রিয়া’।ভারাথা ২০০৪ সালে তার মেয়ের সাথে কানাডায় চলে আসেন। তার মেয়েও ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছে। কানাডায় আসার আগে ভরত এবং তার পরিবারকে তাদের দেশে কয়েক দশকের তামিল-সিংহলি গৃহযুদ্ধের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

গৃহযুদ্ধের এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতাই তাকে

গৃহযুদ্ধ ও শান্তি প্রক্রিয়ায় উচ্চতর পড়াশোনা করতে অনুপ্রাণিত করেছিল। এখন তিনি এই জ্ঞান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে চান।”এটি সত্যিই মজার,” ভারাথা শানমুগানাথন সিএনএনকে বলেছেন। রাজনীতি নিয়ে পড়ার ইচ্ছা আমার দীর্ঘদিনের। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছি। “‘মানুষের জীবনে তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, উদার হও; দ্বিতীয়ত, উদার হও এবং তৃতীয়, উদার হও। ‘পৃথিবীর মানুষ দিন দিন অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে! দয়া, উদারতা, ক্ষমা, করুণা, পরোপকার—এগুলো আজকাল সোনার বাটির মতো। এসব গুণের অভাবে মানুষ এখন অনেক নিঃসঙ্গ। না, ব্যাপারটা মোটেও তা মনে হয় না। এই মহামারীতে আমরা দেখেছি মানুষের প্রতি মানুষের সহানুভূতি। সমাজের দরিদ্রদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। তবে, তুলনামূলকভাবে বলতে গেলে, মানুষের পক্ষে অসহিষ্ণু হওয়া সম্ভব।

ধর্মীয় দাঙ্গা বা জাতিগত হত্যাকাণ্ড ছাড়াও

চিরস্থায়ী শ্রেণী সংঘাত রয়েছে। সারা বিশ্বে না বললেই নয়, আমাদের দেশের মানুষের উদার হৃদয়ের যে সুনাম, তা কি এখনো আছে! আমাদের সাম্প্রতিক অসহিষ্ণুতার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত দুঃখজনক।মুঘল আমলের মসজিদটি সামনের দিকে কিছুটা বাড়ানো হলেও মূল অবকাঠামো অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে। ২০ এবং ৪০ ফুট পরিমাপের মসজিদের দেয়ালের ভিতরে এবং বাইরে সুন্দর খোদাই এবং গম্বুজ দেখা যায়। মসজিদের প্রবেশপথে একটি ফলকে লেখা আছে, ‘এই মসজিদটি মুঘল আমলের শেষ দিকে জমিদার জবরদস্ত খান (মনু মিয়া) নির্মাণ করেছিলেন। তিনি তার প্রথম স্ত্রী খোরসা বানুর নামে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। তার অপর স্ত্রী ছিলেন বাঁশখালীর সরল গ্রামের বিখ্যাত মালকা বানু। মসজিদটি নির্মাণের পর থেকে সংস্কার করা হয়নি। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ১৪১৬ এবং ২০১০ সালে মসজিদটির সৌন্দর্য রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্য টাইলস যুক্ত করে।

ম্যারাথনে হাঁসের দৌড় প্রধান খবর

ম্যারাথনে হাঁসের দৌড় প্রধান খবর

ম্যারাথনে হাঁসের দৌড় প্রধান খবর, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে প্রতি বছর ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন। কিছু অদ্ভুত কারণে, এই বছরের নিউইয়র্ক

ম্যারাথন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ, এবার প্রতিযোগীদের সঙ্গে ম্যারাথন দৌড়ে যোগ দিল একটি হাঁস! ম্যারাথন

প্রতিযোগীদের পাশাপাশি হাঁসের দৌড়ের ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে।মার্কিন সাময়িকী

নিউজউইক জানিয়েছে, গত রোববার নিউইয়র্ক ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশ-বিদেশের প্রায় ১০ হাজার

প্রতিযোগী অংশ নেন। এই বছরের ইভেন্টে প্রতিযোগীরা নিউইয়র্কের রাস্তায় ৪২ কিলোমিটারেরও

বেশি দৌড়েছেন।যাইহোক, বিপুল সংখ্যক প্রতিযোগী, জমকালো আয়োজন – যা সকলের নজর কেড়েছিল তা

হল একটি ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপের টিকিট প্রকাশের একটি ছোট ভিডিও।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

ম্যারাথনে হাঁসের দৌড় প্রধান খবর

ভিডিওটিতে ম্যারাথন দৌড়বিদদের নিউইয়র্কের রাস্তায় দেখা যাচ্ছে। আর তাদের পাশেই ছুটছে একটি হাঁস! সাদা হাঁসের পায়ে দৌড়ানোর উপযোগী ছোট লাল জুতা (হাঁসের জুতা)ও থাকে। ভিডিওটি প্রকাশের ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে, ২.৭ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ এটি দেখেছে। শুধু টিক নয়, ভিডিওটি ইউটিউবেও প্রকাশ করা হয়েছে। নিউজউইকের মতে, হাঁসটির নাম ‘উইঙ্কল দ্য ডাক’। হাঁসটি ম্যারাথন দৌড়বিদদের সাথে নিউইয়র্কের রাস্তায় প্রতি চার মিনিটে দৌড়ায়। এ সময় প্রতিযোগী ও রাস্তার দুই পাশে জড়ো হওয়া দর্শকদের হাঁসের দৌড় দেখে উচ্ছ্বসিত হতে দেখা যায়।যাইহোক, এই বছরের নিউ ইয়র্ক ম্যারাথনে হাঁসের দৌড় একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় ছিল না। প্রতিযোগিতায় জয়ের জন্য হাঁস দৌড়ে যায়নি। এমনকি হাঁসও এই ইভেন্টের নিবন্ধিত প্রতিযোগী নয়।

অনলাইন প্রকাশনার জন্য একটি ভিডিও

তৈরি করতে হাঁসটিকে ম্যারাথন দৌড়বিদদের পাশে রেখে দেওয়া হয়েছিল।হাঁস ইতিমধ্যে স্টারডম পেতে শুরু করেছে। এর নামে টিকটক ও ইউটিউব চ্যানেল খোলা হয়েছে। ওইসব চ্যানেলে ম্যারাথন দৌড়ের ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। অনেক পুরানো ভিডিও আছে।হু হু অনুসারী বাড়ছে।কার্টিস মাইনাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায় জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু দশটা বাচ্চার মতো সে জন্মায়নি। কার্টিস তার মায়ের গর্ভে মাত্র পাঁচ মাস (২১ সপ্তাহ) কাটিয়ে দিনের আলো দেখেছিলেন। ওজন ছিল মাত্র ৪২০ গ্রাম। আর সে কারণেই গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে সবচেয়ে অপরিণত নবজাতক হিসেবে নাম লেখানো হয়েছে তার।বিবিসি অনুসারে, কার্টিসের জন্মের ১৮ মাস হয়ে গেছে। এখন সে মোটামুটি সুস্থ। সাধারণত গর্ভধারণের ৪০ সপ্তাহ পরে শিশুর জন্ম হয়। সেই অর্থে, কার্টিস ১৯ সপ্তাহ আগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বলছে

তাদের জানা মতে, জন্মের আগে আর কোনো শিশু এতদিন বাঁচেনি।গত বছরের ৪ জুলাই হাসপাতালে যমজ সন্তানের জন্ম দেন মিশেল বাটলার। কার্টিস বেঁচে যায়। তবে তার সঙ্গে জন্ম নেওয়া আরেকজন বেঁচে যাননি। সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশুদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম থাকে।কার্টিস অবশ্য ভাগ্যবান ছিলেন। জন্মের পরপরই তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। টানা তিন মাস ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। তাকে শেখানো হয়েছিল কীভাবে শ্বাস নিতে হয় এবং মুখ দিয়ে খেতে হয়। কার্টিস ২৬৫ দিন হাসপাতালে কাটিয়ে চলতি বছরের এপ্রিলে দেশে ফিরে আসেন।কার্টিসের আরও তিন ভাইবোন আছে। তারা সবাই বয়স্ক। “যে মুহুর্তে আমি কার্টিসকে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলাম এবং আমার অন্যান্য বাচ্চাদের অবাক করে দিয়েছিলাম তা আজীবন মনে থাকবে,” তাদের মা মিশেল বলেছিলেন।

বিদ্রোহ যখন বর্ণমালায় মিশে যায়

বিদ্রোহ যখন বর্ণমালায় মিশে যায়

বিদ্রোহ যখন বর্ণমালায় মিশে যায়, ‘একদিন দুপুরে প্রেসে গিয়ে শুনলাম, আগের রাতে পুলিশ এসে সংকলনের

সব লেখা, কম্পোজিং ব্যাপারটা নিয়ে গেছে। এই খবর শুনে আমি ভয় পেয়ে গেলাম। সেখান থেকে সোজা

কার্জন হলে, পুকুরের পাশের বিল্ডিংয়ে গিয়ে চুপচাপ আমাদের পরিসংখ্যানের ক্লাসে বসলাম।

‘সূর্য জ্বালা নামে একটি সংগ্রহ নারিন্দা লেনের একটি প্রেসে ছাপানোর জন্য দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে

সব নিয়ে যায়। ফলে ১৯৮৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবসে যে সংকলন প্রকাশের কথা ছিল তা বের

করা যায়নি। পরবর্তীতে, ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একই নামে একুশের আরেকটি সংকলন

প্রকাশিত হয়।বামপন্থী রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন,

ছাত্র আন্দোলনের পাশাপাশি কবিতা, আবৃত্তি, সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক, চিত্রকলা এবং আরও অনেক কিছুতে প্রধান

ভূমিকা পালন করেছিল।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

বিদ্রোহ যখন বর্ণমালায় মিশে যায়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি সংসদ। একুশেও তাদের মতো করে সময়ের সেরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সংকলন প্রকাশ করেছে। তারা আজ একটি প্রজন্মের সেরা মানুষের যাত্রা এবং উত্থানের সাক্ষী; তাদের সব স্বপ্ন, আকাঙ্খা ও বিদ্রোহের আন্দোলন।বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রথম প্রকাশনী এক প্রচ্ছদে এসব সংকলন প্রকাশ করেছে। মতিউর রহমান সম্পাদিত বইটির নাম বিদ্রোহী বর্ণমালা। এই বইটি ইতিহাসের একটি মূল্যবান দলিল।কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে ছিলেন জসীমউদ্দীন, সুফিয়া কামাল, রণেশ দাশগুপ্ত, শহীদুল্লাহ কায়সার, শামসুর রাহমান, জহির রায়হান, আনিসুজ্জামান, আলাউদ্দিন আল আজাদ, শহীদ সাবের, বদরুদ্দীন উমর, ফয়েজ আহমেদ, সৈয়দ শামসুল হক, মাহমুদ আল জামান, মফিজুল হক প্রমুখ। হক প্রমুখ।প্রতিটি সংকলন প্রকাশের পেছনে কত স্মৃতি!কত, কত জায়গা থেকে যে লেখা, ছবি ও অলংকার সংগ্রহ করেছেন তারা!

জয়নুল আবেদিন কামরুল হাসান

আমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ কিবরিয়া, কাইয়ুম চৌধুরী, দেবদাস চক্রবর্তী, রশিদ চৌধুরী, মুর্তজা বশীর, ইমদাদ হোসেন, আবদুল মুক্তাদির, প্রাণেশ কুমার মণ্ডল, হাসেম খান, রফিকুন্নবী প্রমুখের আঁকা ছবি। দেশের শ্রেষ্ঠ লেখক-কবি-শিল্পীদের কোনো লেখা বা ছবি সংকলনে প্রকাশিত হয়নি? তরুণ কবি-সাহিত্যিকরা যারা লিখেছেন, যারা ছবি এঁকেছেন তাদের অনেকেই এখন সুপরিচিত।’আমার মনে আছে ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুর থেকে সারা দিন এবং সারা রাত প্রেসে ছিলাম। পুরো প্রেসের সমস্ত স্টাফ এবং ৮-১০ টি মেশিন সেই রাতে আমাদের জন্য কাজ করেছিল সে একজন বিশাল ওয়ার্কহলিক! ‘এই কাজটি ১৯৭০ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি সহ বিশেষ উপলক্ষে চলছে।

পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন এবং

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃতি সংসদ আকর্ষণীয় এবং বৈচিত্র্যময় সব সংগ্রহ প্রকাশ করছিল।একুশের সকালে শহীদ মিনার ও বাংলা একাডেমিতে সেগুলো বিতরণ ও বিক্রি করা হয়।সে সময় আসাদুজ্জামান নূর, আবুল হাসনাত, মফিদুল হক, মুনিরুজ্জামান, হিলালুদ্দীন, মাহফুজ আনাম এবং মতিউর রহমান সংকলন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে জড়িত ছিলেন। একজন মানুষ দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। শুধু লেখা বা আঁকার ক্ষেত্রেই নয়, সংগ্রহের ভিতরের অংশে ব্যবহৃত সংবাদপত্রের কভার, টিউল পেপার, কার্টিজ পেপার বা মোটা বোর্ড পেপার বা আর্ট কার্ডের অভিনব বাঁধাই। এই বৈচিত্র্য এবং নিরীক্ষা তাদের উত্সর্গ সম্পর্কে কিছু সূত্র দেবে। কোন দেশের তরুণ প্রজন্মের রুচি কেমন, তাদের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন কেমন ছিল, রাষ্ট্রের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী ছিল, দেশের মানুষকে নিয়ে তাদের ভাবনা—সবকিছুই পাওয়া যাবে।

 

ভারতীয় সীমান্তে তিনটি ইয়াবা কারখানার সন্ধান

ভারতীয় সীমান্তে তিনটি ইয়াবা কারখানার সন্ধান

ভারতীয় সীমান্তে তিনটি ইয়াবা কারখানার সন্ধান, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় অংশে তিনটি

ইয়াবার কারখানা রয়েছে বলে দেশটির মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানতে পেরেছে। প্রতিষ্ঠানটি

বলছে, এই তিনটি কারখানায় উৎপাদিত ইয়াবা বড়ি দুই বছর ধরে বাংলাদেশে আসছে। বাংলাদেশে চোরাচালানের জন্য

কারখানায় ইয়াবা তৈরি হয়।ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ব্যুরো অব নারকোটিক্স কন্ট্রোলকে

আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য প্রকাশ করে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে। গত ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ

ব্যুরো ও বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সপ্তম দ্বিপাক্ষিক

ভার্চুয়াল সম্মেলনে এ অনুরোধ জানানো হয়।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

ভারতীয় সীমান্তে তিনটি ইয়াবা কারখানার সন্ধান

বৈঠকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, শুধু এই তিনটি কারখানা নয়, ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা আমদানি করছে। মাদক পাচারকারীরাও এ কাজে ভারতের সমুদ্র ব্যবহার করছে। বৈঠকে বাংলাদেশ আরও জানায়, ভারত থেকে ফেনসিডিল ও হেরোইন, গাঁজা ও বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনের মতো মাদক বিভিন্ন নামে আসছে।সূত্রের মতে, বৈঠকে ভারতীয় ড্রাগ কন্ট্রোল এজেন্সির ড্রাগ পাচার রোধ, ক্ষমতা বৃদ্ধি, বুদ্ধি বিনিময় এবং আন্তঃদেশীয় মাদক পাচারকারীদের সম্পর্কে একে অপরকে জানানোর জন্য একসাথে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুস সবুর মন্ডল প্রথম আলোকে বলেন, ভারতের কিছু এলাকা দিয়ে ইয়াবা বাংলাদেশে পাচার হয়।

সেটা ভারতকে জানানো হয়েছে

ভারতের সঙ্গে মাদক পাচারের নতুন রুট নিয়ে আলোচনা হয়েছে।ভারতের বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যে তিনটি ইয়াবা কারখানার উল্লেখ করেছে, তার মধ্যে দুটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে এবং একটি উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায়। মিয়ানমার থেকে এমফিটামিন আমদানি করে এসব কারখানায় ইয়াবা তৈরি করা হয়।বৈঠকে উপস্থাপিত নথি অনুযায়ী, বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্তে জিরো লাইন থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে কোচবিহারের একটি কারখানা। কারখানার মালিক স্থানীয় আব্দুল সামাদের ছেলে মো. আল আমিন ইসলাম (৩৫)। একই সীমান্তের ৪০০ মিটারের মধ্যে আরেকটি কারখানা। এ কারখানার মালিক স্থানীয় হযরত আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৫)। তৃতীয় কারখানাটি সাতক্ষীরা সীমান্তের ওপারে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনায়। কারখানাটি সীমান্তের জিরো লাইন থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে। মালিক ডিম্পল নামে এক ব্যক্তি।

বৈঠকে তিনটির সুনির্দিষ্ট বিবরণ তুলে ধরা

হলেও বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, ইয়াবা কারখানার সংখ্যা আরও বেশি। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের বাইরে আসাম ও মেঘালয়ে ইয়াবার কারখানা রয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ভারত সীমান্তে ১১টি ইয়াবা কারখানার গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছেন। তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবার কারখানা গড়ে তোলার বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেছে। তবে মাদক দমনে বিজিবি তৎপরতা জোরদার করেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের রুট হিসেবে ভারতকে ব্যবহার করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। ইয়াবা প্রথমে মিয়ানমার থেকে মিজোরাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এটি ত্রিপুরা, মেঘালয় ও আসাম হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

আরিফিন শুভকে দিয়ে হিমালয়ে পুরুষদের ফেসওয়াশ এনেছে

আরিফিন শুভকে দিয়ে হিমালয়ে পুরুষদের ফেসওয়াশ এনেছে

আরিফিন শুভকে দিয়ে হিমালয়ে পুরুষদের ফেসওয়াশ এনেছে, দেশের একটি সুপরিচিত ওয়েলনেস ব্র্যান্ড

হিমালয় পুরুষদের জন্য ফেসওয়াশ চালু করেছে। হিমালয় মেন, পুরুষদের ত্বকের যত্নে আরিফিন শুভর

সাথে তাদের নতুন ক্যাম্পেইন ‘ড্যাশিং মেনস স্ম্যাশিং ফেস ওয়াশ’ চালু করেছে।দীর্ঘদিন ধরে, ত্বকের

যত্ন শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য প্রয়োগ করা হয়েছিল। এবং পুরুষদের জন্য অপ্রয়োজনীয়। তবে হিমালয়

ওয়েলনেস অনুসারে, মহিলাদের মতো পুরুষদেরও প্রতিদিন তাদের ত্বকের যত্ন নেওয়া দরকার। হিমালয় মেন’স

ফেস ওয়াশ এই যুগের ধাবমান পুরুষদের জন্য ভেষজ এবং প্রাকৃতিক সূত্র দিয়ে তৈরি। আর আরিফিন শুভ

একজন ড্যাশিং পুরুষের নিখুঁত উদাহরণ। হিমালয় মেইনের ব্যবহারকারী প্রত্যেক পুরুষের ‘ড্যাশিং’

চেহারার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, হিমালয় বাংলাদেশের বিজনেস হেড শ্রীকান্ত আইয়ার বলেছেন।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

আরিফিন শুভকে দিয়ে হিমালয়ে পুরুষদের ফেসওয়াশ এনেছে

নতুন কাজ নিয়ে আরিফিন শুভ বলেন, ‘হিমালয়ের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। তাদের ব্র্যান্ড ফেসওয়াশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে পেরে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত। এটি এমন একটি ব্র্যান্ড যা আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি এবং বিশ্বাস করি। আশা করি, হিমালয়ান মেনের সাথে আমার যাত্রা দীর্ঘতর হবে। ‘আরিফিন শুভ বর্তমানে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের আইডল, ড্যাশিং তারকা। মডেলিং এবং সিনেমায় তার উজ্জ্বল ক্যারিয়ার রয়েছে। আমরা তাকে একজন স্মার্ট এবং ফিট যুবক হিসেবে দেখি। বাইরে থেকে কঠোরভাবে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করবেন না। তবে একই সাথে তার প্রিয়জন এবং ভক্তদের প্রতি কোমল। হিমালয় মেনস ব্র্যান্ডের ট্যাগলাইন ‘ড্যাশিং মেনস স্ম্যাশিং ফেস ওয়াশ’ তার ব্যক্তিত্বের সাথে মিলে যায়। যা আমাদের ভোক্তাদের বলে যে এমনকি সবচেয়ে শক্ত, যোগ্যতম ব্যক্তিরও সঠিক ত্বকের যত্ন প্রয়োজন।

দেবাংশু শেঠ হেড অফ মার্কেটিং অ্যান্ড

ই-কমার্স, হিমালয় বাংলাদেশ, বলেন যে ব্যক্তিগত সাজ-সজ্জা এখন পুরুষদের জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু সময়সাপেক্ষ ও বিরক্তিকর কিছু করতে তারা আগ্রহী নয়। তারা ত্বকের যত্নে সহজ এবং কার্যকর কিছু চায়। যা তাদের ভিতরে একটি নতুন অনুভূতি দেবে এবং বাইরে থেকে তাদের আকর্ষণীয় করে তুলবে। পুরুষদের উচিত তাদের নিজস্ব ত্বকের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক পণ্য ব্যবহার করা। এবং সেই ক্ষেত্রে, তারা নিরাপদে হিমালয় মেনের স্ম্যাশিং ফেস ওয়াশ নিতে পারে।হিমালয়ান মেইন গ্রুমিং রেঞ্জে পিম্পল ক্লিয়ার, ইনটেনস অয়েল ক্লিয়ার, পাওয়ার গ্লো, অ্যাক্টিভ স্পোর্ট এবং ফেস অ্যান্ড বিয়ার্ড ওয়াশের বিশাল হার্বাল রেঞ্জ রয়েছে। এই রেঞ্জের পণ্যগুলি স্বপ্ন, ইউনিমার্ট, টপ ই সহ বাংলাদেশের সমস্ত খুচরা দোকানে পাওয়া যায়। -সাজগোজ, চালডাল, দারাজ এবং পান্ডামার্ট সহ কমার্স স্টোর।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস, সান ফ্রান্সিসকো, মিয়ামিতে একই দিনে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি।

পরবর্তী পদক্ষেপ হল ডালাস অস্টিন

হিউস্টন, ভার্জিনিয়া কয়েকটি শহর ছেড়ে দেওয়া; ওয়াশিংটন ডিসি, বোস্টন, নিউ জার্সি, আটলান্টা, ফিনিক্স, সিয়াটেল, পোর্টল্যান্ড, ডেট্রয়েট, স্যাক্রামেন্টো, রিভারসাইডে এবং প্রথমবারের মতো আলবানি এবং আলাবামা, হান্টসভিল, নিউইয়র্ক।বায়োস্কোপ ফিল্মসের কর্ণধার রাজ হামিদ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুঠোফোনে বলেন, এছাড়া ‘কণ্ঠ’ ও ‘বিজয়া’সহ কলকাতার বেশ কিছু ছবি দেখিয়েছি। কিন্তু আমরা দেখেছি, কলকাতার চেয়ে এখানকার বাঙালি দর্শকদের বাংলাদেশি ছবির প্রতি আলাদা আগ্রহ রয়েছে। থিয়েটারে দর্শকের অংশগ্রহণও বেশি দেখেছি। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা ‘মিশন এক্সট্রিম’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক প্রদর্শনীর আয়োজন করতে যাচ্ছি।আগামী ৩ ডিসেম্বর এশিয়া, আমেরিকা ও ওশেনিয়ায় একযোগে মুক্তি পাবে ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমাটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং নিউজিল্যান্ডের দর্শকরাও বাংলাদেশি দর্শকদের মতো একই সময়ে সিনেমাটি দেখার সুযোগ পাবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কপ ক্রিয়েশন।