খেলার খবর

নেত্রকোনার দুর্গাপুর একটি অনন্য পর্যটন কেন্দ্র

নেত্রকোনার দুর্গাপুর একটি অনন্য পর্যটন কেন্দ্র

নেত্রকোনার দুর্গাপুর একটি অনন্য পর্যটন কেন্দ্র, সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা আমাদের অতুলনীয়

সৌন্দর্যের সবুজ ভূমি। স্বাধীনতা লাভের পর ধীরে ধীরে আমাদের দেশ গড়ে উঠেছে, যেখানে রয়েছে শত শত

নদী, অজস্র খাল-বিল, বিল, হাওর, পাহাড়। যেহেতু আজকের নিবন্ধটি দুর্গাপুরকে কেন্দ্র করে,

আমি কেবল এই জায়গাটি নিয়েই লিখব।বৈশিষ্ট্যগতভাবে, আমাদের টপোগ্রাফি তিনটি ভাগে বিভক্ত সাম্প্রতিক বন্যা

সমভূমি,  প্লাইস্টোসিন সোপান এবং টারশিয়ারি যুগের পাহাড়। প্রায় ৭৫ মিলিয়ন বছর আগে বাংলার কেন্দ্রস্থলে

যে পাহাড় ও শৈলশিরা গঠিত হয়েছিল তাদের আজ টারশিয়ারি পাহাড় বলা হয়। বর্তমানে দেশের দুটি

অঞ্চলেই সে সময়ের পাহাড় দেখা যায়: এক. উত্তর ও উত্তর-পূর্ব (ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ,

মৌলভীবাজার, সিলেট), দুই. দক্ষিণ-পূর্ব (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম)।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

নেত্রকোনার দুর্গাপুর একটি অনন্য পর্যটন কেন্দ্র

ভৌগোলিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই পাহাড়গুলো আমাদের দেশের মোট আয়তনের ১২ শতাংশ দখল করে আছে। ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুসারে পাহাড়গুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এক. টিপসুরমা (সর্বোচ্চ এবং খাড়া), দুই. দুপিটিলা (মাঝারি উঁচু ও খাড়া) এবং তিন. দিহিং (সর্বনিম্ন পাহাড়)। সম্প্রতি, আমি এবং আমার বন্ধুরা দিহিং শ্রেণীর পাহাড়ে ভ্রমণ করছি, যাকে অনেকে টিলা নামে চেনেন। এটি নেত্রকোনার দুর্গাপুর অঞ্চলের একমাত্র টারশিয়ারি যুগের সাদা মাটির পাহাড়, যা একটি জনপ্রিয় পর্যটক আকর্ষণ।নেত্রকোনা সদর থেকে ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে এই পাহাড়ি এলাকা। দুর্গাপুর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের একটি ছোট শহর, যেটি গারো পাহাড়ের তীরে, সোমেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত। এই শহরের তিনটি এলাকা পর্যটকদের কাছে খুবই বিখ্যাত- বিজয়পুর, বিরিশিরি ও রানীখং। ভারতের সোমেশ্বরী নদী এই তিনটি বিখ্যাত এলাকাকে বিভক্ত করেছে।

নদীর দক্ষিণ তীরে বিরিশিরি এবং

উত্তরে রাণীখং, বিজয়পুর। ১৯৮৬ সালে, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় বিশ্বের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রচারের জন্য বিরিশিরিতে দেশের প্রথম স্বায়ত্তশাসিত উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমি স্থাপন করে। সেই একাডেমিতে গারো, হাজং উপজাতির পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে অন্যান্য উপজাতিরা বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠানে আসে, যেখানে তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি উপস্থাপন করে। ফলে দর্শনার্থীরা সহজেই এলাকার উপজাতিদের সংস্কৃতি, সামাজিকতা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বুঝতে পারবেন।এরপর আছে রানিখং এলাকা। স্থানীয়রা জানায়, এই এলাকায় ‘খং-রানী’ নামে এক দানব বাস করত। এই দানবকে তখন সেখানে বসবাসরত গারো উপজাতিদের হাতে হত্যা করা হলে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এলাকার নাম হয় রাণীখং। ১৯১০ সালে এই এলাকায় একটি গির্জা নির্মিত হয়েছিল, যা এখনও দৃশ্যমান। বিজয়পুরে বিজিবি ক্যাম্পে যাওয়ার পথে হাতের ডানে গির্জা চোখে পড়ল।

এ ছাড়া রানীখং এলাকায় বেশ কয়েকটি

খণ্ডিত পাহাড় রয়েছে। স্থানীয় জনগণের ভাষায় এই স্থানটির নাম ‘কমলাবাগান’ (এটি এখন নেই)।স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে জানা যায়, মোশতাক আহমেদ ২০০৮ সালে এ এলাকার এমপি ছিলেন। সে সময় তিনি উল্লেখিত স্থানে একটি বিশাল কমলার বাগান করেছিলেন। এ কারণে এখনও অনেকে জায়গাটিকে কমলাবাগান বলে থাকেন। কমলাবাগান থেকে একটু উত্তরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্ট। বিনা অনুমতিতে ওই স্থানে যাওয়া নিষেধ থাকলেও ভুল করে চলে গিয়েছিলাম আসল প্রকৃতি দেখে। এক কথায়, একটি আকর্ষণীয় জায়গা। দুই সীমান্তে দুই পাহাড়, মাঝখানে বয়ে চলেছে সোমেশ্বরী নদী। দৃশ্যটি দেখে মনে হলো সোমেশ্বরী পাথুরে পাহাড়ের বুক চিরে বেরিয়ে এসে বাংলার বুকে নীরবে বয়ে চলেছে।তারপর রানীখং থেকে সোজা বিজয়পুর। এখানে দেখলাম দুর্গাপুরের আসল রহস্য, কেন এত দর্শনার্থী এখানে বেড়াতে আসেন।

 

 

পঞ্চগড়ে আসামিদের জন্য কার্পেট বিছানো হয়েছে

পঞ্চগড়ে আসামিদের জন্য কার্পেট বিছানো হয়েছে

পঞ্চগড়ে আসামিদের জন্য কার্পেট বিছানো হয়েছে, মামলার নির্ধারিত তারিখে আসামিদের কারাগার থেকে

আদালতে হাজির করে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়। আদালতের প্রতি সম্মান দেখাতে আসামিরা জুতা

খুলে ফেলে। মামলা না ডাকা পর্যন্ত কাঠের মেঝেতে বসতে হবে তাদের। এছাড়া জামিনে থাকা

আসামিরাও হাজিরা দিতে আসেন আদালতে। শীতে খালি পায়ে আসা আসামিদের কষ্ট লাঘবে বেড়ার ঠান্ডা

মেঝেতে কার্পেট বিছানোর ব্যবস্থা করেছেন একজন বিচারক।পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল

ম্যাজিস্ট্রেট মো. মতিউর রহমানের দরবারে প্রথমবারের মতো এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত বুধবার তিনি তার

আদালত কক্ষের মেঝেতে কার্পেট বিছিয়ে দেন। তার উদ্যোগে পঞ্চগড় প্রধান বিচারিক আদালতের

সব বেঞ্চে কার্পেট বিছানো হয়েছে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

পঞ্চগড়ে আসামিদের জন্য কার্পেট বিছানো হয়েছে

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় হিমালয়ের খুব কাছে হওয়ায় এখানে শীত একটু আগেই চলে আসে। শীতের বেশির ভাগ দিনেই পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকে। কাঠের মেঝে শীতের দিনে খুব ঠান্ডা হয়ে যায়। অভিযুক্তদের অনেক কষ্টে সেখানে থাকতে হয়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কারাগার থেকে আসা আসামিদের অপেক্ষায় ঠাণ্ডা অনুভব করে কার্পেট বিছানোর উদ্যোগ নেন বিচারক।অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, আদালতের মেঝে মোজাইক করা ছিল। এ কারণে শীতকালে খুব ঠান্ডা লাগে। বিচারক ও আইনজীবীসহ আদালতের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী জুতা পরেন। কিন্তু আসামিরা জুতা খুলে বেড়ার ঠান্ডা মেঝেতে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকে।

বিষয়টি আদালতের বিচারক মতিউর

রহমানের কাছে যায়। তারপর বেড়ার উপর কার্পেট বিছানোর ব্যবস্থা করলেন।পঞ্চগড় আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আমিনুর রহমান বলেন, আসামিদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে আদালতে কার্পেট বিছানোর এটাই প্রথম ঘটনা। আমি বিশ্বাস করি একজন বিচারকের এমন মানবিক সিদ্ধান্ত অন্য সব আদালতের জন্য সত্যিই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। “রাজশাহীর তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খাদেমুন নবী চৌধুরী। প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থীর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ভোট পেয়েছেন তিনি।ছেলে মাসুদ রানা চৌধুরীও বাবা খাদেমুন নবী চৌধুরীর সঙ্গে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল জানতে সন্ধ্যা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ছিলেন।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও

নিশ্চিত করেছেন। তবে সেখান থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে উপজেলার চেয়ারম্যানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে মাসুদ রানাকে।শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে তানোর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ বাদী হয়ে তানোর থানায় মামলাটি করেন। এ মামলায় মাসুদ রানা চৌধুরীসহ মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান ও মাসুদ রানা চৌধুরীর বাড়ি একই গ্রামে। গ্রামের নাম চোরখাইর। মামলার এজাহারে বলা হয়, মাসুদ রানা চৌধুরী উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্যাবল লাইন কন্ট্রোল রুমের গুদামে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।মাসুদ রানা চৌধুরীর বাবা নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান খাদেমুন নবী চৌধুরী তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে কলমা ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন তিনি।

যেভাবে ট্যাক্সি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে আকাশপথে

যেভাবে ট্যাক্সি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে আকাশপথে

যেভাবে ট্যাক্সি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে আকাশপথে, দক্ষিণ কোরিয়া ২০২৫ সালের মধ্যে একটি এয়ার

ট্যাক্সি পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা করছে৷ এটি একটি বিমানবন্দর থেকে অন্য বিমানবন্দরে

বা কাছাকাছি শহরে ভ্রমণের সময় দুই-তৃতীয়াংশ কমিয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ বৃহস্পতিবার রাজধানী সিউলে

ওই বিমানগুলো কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় তার একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা

হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাণিজ্যিক উড়ন্ত ট্যাক্সি চালু করার একটি রোডম্যাপ

গত বছর উপস্থাপন করা হয়েছিল। দেশটির পরিবহন মন্ত্রকের অনুমান অনুসারে, গাড়িতে ৩০ থেকে ৫০

কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে বিমান ট্যাক্সিতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগবে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

যেভাবে ট্যাক্সি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে আকাশপথে

দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহন মন্ত্রী নোয়াহ হিউং-উক একটি বিবৃতিতে বলেছেন যে  নাগরিকদের জন্য প্রতিদিন ব্যবহার করার জন্য পরিবহনের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে, তাই এটি বিভিন্ন পরিবেশে পরীক্ষা করা আবশ্যক।একজন পাইলট সিউলের জিম্পো বিমানবন্দরে একটি জার্মান-নির্মিত দুই আসনবিশিষ্ট বিমানের পাইলট। এর নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়ও প্রদর্শনীতে দেখানো হয়েছে।উড়ন্ত ট্যাক্সি হেলিকপ্টারের মতো রটারের সাহায্যে সোজা উপরে উড়তে পারে। এটি ড্রাইভার-চালিত বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালকবিহীন হতে পারে।দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, যাত্রী থাকলে ফ্লাইং ট্যাক্সিতে নিরাপত্তার জন্য একজন চালক থাকতে হবে। এতে মানুষের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ডিজাইনাররাও তাদের

নিজস্ব ডিজাইনের একটি বিমান প্রদর্শন করেছেন। একটি পূর্ণ আকারের প্রোটোটাইপ পরের বছরের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে উড্ডয়ন করা হবে। পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচটি আসনের কার্যকর মডেল তৈরিরও পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।একই প্রদর্শনীতে অন্যান্য বিমান শনাক্ত করার প্রযুক্তিও দেখানো হয়েছে। ফ্লাইং ট্যাক্সিগুলি ‘ভার্টিপোর্ট’ নামক একটি বিশেষ স্থানে উঠবে বা অবতরণ করবে। দূর থেকে এসব স্থান শনাক্ত করতে সেখানে বিশেষ আলোর ব্যবস্থাও দেখানো হয়েছে।সিউলের ইনচিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কেন্দ্রীয় সিউল পর্যন্ত একটি ট্যাক্সির খরচ পড়বে প্রায় ৯৩ । যা প্রচলিত ট্যাক্সি পরিষেবার খরচের চেয়ে অনেক বেশি। যাইহোক, যদি সবাই এটি ব্যবহার করা শুরু করে, তবে ২০৩৫ সালের মধ্যে খরচ ১৮ ডলারে নেমে আসবে, মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

পরীক্ষামূলক ফ্লাইট দেখায় যে উড়ন্ত

ট্যাক্সিগুলি অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটের জন্য ব্যবহৃত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেমের সাথে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।১২ ডিসেম্বর, সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে দেশে ৫-জি উচ্চ গতির ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে যাচ্ছে। টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. সাহাব উদ্দিন বলেন, এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।শনিবার টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (টিআরএনবি) সদস্যদের জন্য আয়োজিত ‘ফাইভজি প্রযুক্তি ও টেলিটকের প্রস্তুতি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২২ সালের মধ্যে ঢাকার ২০০  টি জায়গায় গ্রাহকদের জন্য ৫জি চালু করা হবে। সাহাব উদ্দিন বলেন, অদূর ভবিষ্যতে ফাইভ-জি সেবা পর্যায়ক্রমে ঢাকাসহ অন্যান্য স্থানে সম্প্রসারিত করা হবে। গ্রামীণ এলাকায় টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ যোগাযোগ ও পরিবহনে এক নতুন যুগে

বাংলাদেশ যোগাযোগ ও পরিবহনে এক নতুন যুগে

বাংলাদেশ যোগাযোগ ও পরিবহনে এক নতুন যুগে, দেশের যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের উন্নয়নে সরকারের

নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রকল্পের কাজ আগামী বছর শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী জুনের মধ্যে পদ্মা সেতু

চালু হবে। এর ফলে দেশের আটটি বিভাগের সবকটিই সরাসরি সড়ক যোগাযোগের আওতায় আসবে।

দেশের প্রথম মেট্রো রেলের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম ইতিমধ্যেই প্রত্যক্ষ করেছে ঢাকাবাসী। আগামী বছরের শেষ

নাগাদ ট্রেনটি যাত্রী বহন করবে।কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মাণাধীন দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ টানেলও

আগামী বছরের শেষ নাগাদ খুলে দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে এসব অবকাঠামো

নিয়ে আলোচনা হলে যোগাযোগ ও পরিবহন খাত নতুন যুগে প্রবেশ করবে।সরকার ১০ টি বড় প্রকল্প

ফাস্ট ট্র্যাকে রেখেছে।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

বাংলাদেশ যোগাযোগ ও পরিবহনে এক নতুন যুগে

এর মধ্যে যোগাযোগ খাতের প্রকল্পগুলো হলো- পদ্মা সেতু, পদ্মার দুই পাশে রেল সংযোগ স্থাপন ও মেট্রোরেল প্রকল্প। কর্ণফুলী টানেল অগ্রাধিকার তালিকায় না থাকলেও এটি একটি বড় প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এগুলো চালু করে আওয়ামী লীগ জনগণের মন জয়ের চেষ্টা করবে বলে মনে করছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।এসব প্রকল্পের মধ্যে কর্ণফুলী টানেলের কাজ সময়মতো এগিয়েছে। প্রকল্পের ব্যয় এখনো বাড়েনি। বাকি দুটি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি সময় নিচ্ছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পের ব্যয়ও বেড়েছে তিন গুণ।পদ্মা সেতুকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক ও সেতু নির্মাণে সরকার ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। সময়মতো সেতুটি চালু হলে জনগণ আগাম সুবিধা পেত।

এছাড়া ঢাকাবাসীকে যানজট মুক্ত করতে

মেট্রোরেল প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্মাণ বিলম্বের কারণে সাত বছর ধরে যানজটে ভুগছে ঢাকাবাসী।আশির দশকে দেশের যোগাযোগ খাতে বড় ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের ধারা শুরু হয়। গত এক দশকে এ খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার ৫০ বছরে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলের মতো ‘আইকনিক’ বা স্মারক অবকাঠামো চালু হওয়ার পথে।আগামী বছরের জুনে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সেতু জুড়ে এখন যানবাহন চলাচলের জন্য পিচঢালাই চলছে। তারপর আলোর কাজ করতে হবে। এর বাইরে গ্যাস পাইপলাইন বিছানোর কাজ চলছে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। মূল সেতুর কাজ ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েছে।পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ২০০৫ সালে সম্পন্ন হয়।

প্রকল্পটি ২০০৬ সালে নেওয়া হয়

ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০১৬২ কোটি টাকা। কিন্তু নানা জটিলতায় সাত বছর পর ২০১৪ সালে মূল সেতুর কাজ শুরু হয়।চার বছরের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সময়মতো বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। পদ্মা নদীর অনাকাঙ্খিত আকৃতি, বন্যায় ভাঙন ও করোনা পরিস্থিতিকে দায়ী করা হচ্ছে অসময়ে কাজের জন্য।গত বছরের ডিসেম্বরে সেতুটির সর্বশেষ স্টিল স্ট্রাকচার বা স্প্যান বসানোর পর কারিগরি জটিলতার কাজ শেষ হয়। যোগ হয় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা।প্রকল্পের কাজের জটিল প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা জানান, এই সেতুকে ঘিরে তিনটি বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে। পদ্মা সেতুর পিলারের নিচে সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীরতায় স্টিলের পাইল স্থাপন করা হয়েছে। এই পাইলগুলির ব্যাসার্ধ তিন মিটার।

 

 

কঙ্গনাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার ও বিজেপি

কঙ্গনাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার ও বিজেপি

কঙ্গনাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার ও বিজেপি, পদ্মশ্রী পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত

ক্ষমতাসীন দল বিজেপি ও সরকারকে গভীর বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছেন। বিব্রতকর অবস্থা এতটাই

বেশি যে কীভাবে সামলানো যায় তা নিয়ে কেউ ভাবছে না। বিরোধী দলগুলি অবিলম্বে কঙ্গনাকে

দেওয়া পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।তিন দিন আগে, ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ রাষ্ট্রপতি

ভবনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের হাতে পদ্ম পুরস্কার তুলে দেন। কঙ্গনা তার অসামান্য

অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।এটি পাওয়ার পরে, কঙ্গনা একটি টিভি

চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন যে ভারত ২০১৪ সালে স্বাধীন হয়েছিল (যে বছর নরেন্দ্র মোদি

ক্ষমতায় এসেছিলেন)।১৯৪৭ সালে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা ছিল ‘ভিক্ষা’।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

কঙ্গনাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার ও বিজেপি

এই মন্তব্যে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। কঙ্গনাকে দেওয়া সম্মান অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগও তুলেছেন দলের কয়েকজন নেতা। এই যৌথ দাবিতে বিব্রত শাসক বিজেপি ও সরকার।কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা টুইট করেছেন যে কঙ্গনার পদ্মশ্রী খেতাব এখনই প্রত্যাহার করা উচিত। রাষ্ট্রপতিকে ট্যাগ করে তিনি বলেন, এ ধরনের সম্মাননা দেওয়ার আগে দেখতে হবে প্রাপক মানসিকভাবে স্থিতিশীল কি না।আনন্দ শর্মা লিখেছেন যে তিনি মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহেরু, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, ভগত সিং, চন্দ্রশেখর আজাদের মতো অগণিত স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে অসম্মান করেছেন। কংগ্রেসের মতে, কঙ্গনা যা বলেছেন তা দেশদ্রোহিতার সামিল।মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন জোটের শরিক এনসিপির নেতা নবাব মালিক সরাসরি কঙ্গনার গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

তার ধারণা নেশার মধ্যেই এমন কথা

বলেছেন অভিনেত্রী। কংগ্রেসের মতো নবাব মালিকও এই পদবি প্রত্যাহারের দাবি জানান।শিবসেনা নেত্রী নীলম গোর বলেছেন, দেরি না করে কঙ্গনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা উচিত। একই দাবি করেছেন আম আদমি পার্টির নেতা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি মুম্বাই পুলিশকে কঙ্গনার বিরুদ্ধে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন।বিজেপি এই ইস্যুতে উল্লেখযোগ্যভাবে নীরব। এমনকি যারা বিরোধীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনেন এবং মামলা দায়ের করেন তারাও কঙ্গনার বক্তব্য আড়াল করার উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না। দলের এক শীর্ষ নেতা বিব্রতকর পরিস্থিতি স্বীকার করে বলেছেন, অভিনেত্রী রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করেছেন।বিজেপি বাকরুদ্ধ হলেও শাসক দলের সাংসদ বরুণ গান্ধী সোচ্চার। সম্প্রতি, বরুণ কৃষি আইন সহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করছেন।

কঙ্গনা বিতর্কে তিনি টুইট করেছেন যে

কখনও গান্ধীজির আত্মত্যাগের সমালোচনা করা হয়, কখনও তার হত্যাকারীর প্রশংসা করা হয়, এখন মঙ্গল পান্ডে, রানি লক্ষ্মীবাই, ভগত সিং, চন্দ্রশেখর আজাদ, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এবং লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের তুচ্ছ করা হয়েছে। এটা কি শুধুই পাগলামি নাকি বিশ্বাসঘাতকতা?কঙ্গনা রানাউত কিছুদিন ধরেই মোদি সরকার ও বিজেপির স্বঘোষিত সমর্থক। বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের সিদ্ধান্তকে তিনি শুধু সমর্থনই করছেন না, বিতর্কেও জড়িয়ে পড়ছেন। আসলে কঙ্গনা আর বিতর্ক যেন সমার্থক হয়ে উঠেছে। বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশনের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন তিনি। মামলা হয়েছে। রাজপুতের আত্মহত্যার জন্য মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মানসিকতাকে দায়ী করেছেন অভিনেতা সুশান্ত সিং। নারীবাদীদের সাথে বিতর্কে লিপ্ত। আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন গায়িকা-অভিনেত্রী রিহানাকে কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করার জন্য “সন্ত্রাসী” এবং সেই সাথে আন্দোলনকারী কৃষকদের “বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী” হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।